বাংলাদেশ, রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯ - ৭:০৫ : এএম


Tweet

প্রকাশ: ২০১৯-০৬-১০ ১৮:৪৬:৫৬ পড়তে সময় লাগবে 2 মিনিট

প্রতিমাসে কাউন্সিলরকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে!
মিরসরাইয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলা-ভাংচুর

 <span style='color:#ff0000;font-size:18px;'><noscript><img src=

মিরসরাই প্রতিনিধি : মিরসরাইয়ে এক পৌর কাউন্সিলরের নিদের্শে তার অনুসারীরা প্রতিমাসে দশ হাজার টাকা চাঁদা চেয়ে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে। এসময় তারা ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী নিখিল দাসকে মারধর করে নগদ টাকাসহ দোকান ও গোডাউনের সব তালা চাবি নিয়ে যায়।

সোমবার (১০জুন) সকালে মিরসরাই পৌরসভার সুফিয়া রোড এলাকার তালবাড়িয়া সড়কের মুখে নন্দন ডেকারেশনে এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এতে দোকানের প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন নিখিল দাস।

ক্ষতিগ্রস্থ নিখিল দাস অভিযোগ করেন, মিরসরাই পৌরসভার ১ নন্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ডেকারেশনের মালামাল নিয়ে কোন টাকা দিতেন না। তার কাছে প্রায় ৫০ হাজার টাকার বেশি বকেয়া টাকা রয়েছে। গত রোববার (৯জুন) রাতে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের ভাই আজম কমিশনার মৃত্যুবরন করেন। এরপর মরহুমের দাফন অনুষ্ঠানের জন্য রোববার গভীর রাতে কাউন্সিলর ইকবালে নির্দেশে ডেকারেশনের মালামাল নেয়া হয়।

সোমবার সকালে কাউন্সিলরের নির্দেশে সাইমুন, কালা মিয়ন, মিজানসহ আরো কয়েকজন আবার এসে কাউন্সিলরের বাড়িতে একটি প্যান্ডেল করে দিতে বলে। এসময় দোকান মালিক নিখিল দাস প্যান্ডেল তৈরির মিস্ত্রিরী না থাকায় প্যান্ডেল তৈরিতে অপরাগতা প্রকাশ করে এবং বকেয়া টাকা পরিশোদের অনুরোধ করেন।

এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যবসা চালাতে হলে প্রতিমাসে কাউন্সিলরকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে জানিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং দোকানের মালামাল ভাংচুর করে। দোকানে থাকা প্রায় তিন শতাধিক প্লেট, কয়েকশ গ্লাস, জগসহ বিভিন্ন মালামাল ভাংচুর করে দোকানের ক্যাশে থাকা প্রায় ৩০ হাজার টাকা লুট করে। এসময় দোকান মালিক প্রাণ ভয়ে পালিয়ে যান বলে জানান।

তিনি বিষয়টি পৌর মেয়র গিয়াস উদ্দিনকে জানান। এবং মিরসরাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

পৌর কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, আমি বাড়িতে ব্যাস্ত ছিলাম। দোকানে ভাংচুরের বিষয়টি আমি অনেক পরে শুনেছি। আর চাঁদা চাওয়ার বিষয়টি দোকান মালিক বাড়িয়ে বলছে দাবি করে তিনি দোকান মালিকের বকেয়া টাকা বিষয়টি এড়িয়ে যান।

মিরসরাই পৌর মেয়র গিয়াস উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি তবে ব্যাস্ততার কারনে এখনো ঘটনাস্থলে যেতে পারিনি। ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিক আমাদের দলীয় লোক ও আপন মানুষ। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও ঘটনার বিস্তারিত জেনে ব্যবস্থা নিব।

মিরসরাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল দেবনাথ জানান, এঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিএম/আশরাফ/রাজীব..

শেয়ার করুন :

এই বিভাগের আরো খবর


লাইভ টিভি•LIVE