ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ শনিবার উদ্বোধন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পূর্ণ নতুন ৪র্থ বোইং ৭৮৭-৮ বিমান ‘ড্রিমলাইনার’ উদ্বোধন করবেন।

এটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৬তম বিমান হতে যাচ্ছে।

সোমবার বিমানের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজহংস নামের এই চতুর্থ ড্রিমলাইনারটি যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল বোইং ফ্যাক্টরি থেকে বৃহস্পতিবার ঢাকায় অবতরণ করবে।

এর আগে গত বছরের আগস্ট ও ডিসেম্বর মাসে ‘আকাশ বীনা’ ও ‘হংসবলাকা’ নামের প্রথম ও দ্বিতীয় ড্রিমলাইনার বোইং ৭৮৭-৮ বাংলাদেশে আনা হয়। গত জুলাই মাসে তৃতীয় বিমান গাংচিল আনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই বিমানগুলোর নামকরণ করেন।

বোয়িং কোম্পানি থেকে বিমানটি গ্রহণ করতে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ (সিএএবি) ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধি দল বর্তমানে সিয়াটলে অবস্থান করছেন।

বিমানটি দেশে নিয়ে আসতে প্রতিনিধি দলটির সাথে বাংলাদেশ বিমানের চিফ অব ফ্লাইট সেফটি ক্যাপ্টেন শোয়েব চৌধুরীর নেতৃত্বে চারজন বিমান চালক সিয়েটলে গেছেন।

২০০৮ সালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১০টি নতুন বিমান ক্রয় সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। বিমানগুলোর দাম ২.১ বিলিয়ান মার্কিন ডলার।

বোয়িং ইতোমধ্যেই চারটি ৭৭৭-৩০০ইআর ও দুটি ৭৩৭-৮০০ ও তিনটি ড্রিমলাইনার বিমানের কাছে হস্তান্তর করেছে।

রাজহংসের আসন সংখ্যা ২৭১টি। অন্যান্য বিমানের তুলনায় এতে ২০ শতাংশ জ্বালানী সাশ্রয় হয়। বিমানটি ঘন্টায় গড়ে ৬৫০ মাইল বেগে একটানা ১৬ ঘন্টা উড়তে সক্ষম।

বিমানটিতে আকাশের ৪৩ হাজার ফুট উঁচুতেও যাত্রীদের ওয়াই-ফাই সেবা প্রদানে সক্ষম। যাত্রীরা এর মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন স্থানে অবস্থানরত তাদের বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বিমান কানাডা থেকেও সম্পূর্ণ নতুন তিনটি ড্যাশ-৮ কিউ৪০০ বিমান ক্রয় করেছে। কানাডার বোম্বারডিয়ার কোম্পানি ২০২০ সালের মার্চ থেকে জুনের মধ্যে বিমানগুলো সরবরাহ করবে।

বিএম/এমআর