শুল্ক ফাঁকিতে কারাদণ্ডের বিধান রেখে কাস্টমস বিল উঠছে সংসদে

পণ্য আমদানি ও রফতানিতে কাস্টমস ডিউটি বা শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ৩ বছরের সশ্রম কারদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে উঠছে কাস্টমস বিল-২০১৯।

নতুন এ আইনে কারাদণ্ডের সাথে থাকছে দ্বিগুণ টাকা জরিমানা হিসেবে আদায়ের বিধান।

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে বিলটি উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এর আগে গত ২৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিলটিতে অনুমোদন দেন।

এনবিআর সূত্র জানায়, গত বছর জাতীয় সংসদে কাস্টমস বিল-২০১৮ উপস্থাপন করেছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

কিন্তু বিলটি পাস না হয়ে অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। এর পর ২০১৮ এর বিলে কিছু পরিবর্তন এনে কাস্টমস বিল ২০১৯ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, পুরাতন কাস্টমস আইনকে যুগোপযোগী ও আধুনিক করে তৈরি করা এ বিলে কাস্টমস কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তিকে চোরাচালানে জড়িত সন্দেহ হলেই তারা পরোয়ানা ব্যতীত তল্লাশি বা গ্রেফতার করতে পারবেন। চোরাচালান নিরোধে কাস্টমস কর্মকর্তা বা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করতে পারবেন।

এ ছাড়া শুল্ক ফাঁকির প্রমাণ পেলে কোনো কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করা ছাড়াই পণ্য বাজেয়াপ্ত বা জরিমানা আরোপ, জরিমানা ও সর্বোচ্চ দণ্ডের পরিমাণ কাস্টমসের কর্মকর্তা বা বিচারক কর্তৃক নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছে।

বিএম/এমআর