পাহাড়তলীতে সোহেল হত্যা মামলায় জাপা নেতা ওসমান গ্রেফতার

    চট্টগ্রাম মেইল : চট্টগ্রামের পাহাড়তলী বাজারে গণপিটুনীতে মৃত্যু ছাত্রলীগ নেতা সোহেলের পরিবারের দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়েছে জাপা নেতা ওসমান খান। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় পাহাড়তলী এলাকার সরাইপাড়ার নিজ বাসভবন থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (ডবলমুরিং জোন) আশিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার রাতে নিহত সোহেলের পরিবারের দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বাজারের ব্যবসায়ি ব্যবসায়ি সমিতির সদস্য ও জাতীয় পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরের সহ সভাপতি ওসমান খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    এর আগে মঙ্গলবার রাতে নিহতের ছোট ভাই শাকিরুল ইসলাম শিশির বাদী হয়ে হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন। এতে ১৭৭ জনকে আসামী করা হয়েছে। এদের মধ্যে পাহাড়তলি রেলওয়ে বাজার ব্যবসায়ী সমিতির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১২ নং সরাইপাড়া ওয়ার্ড কমিশনার সাবের আহমেদ সওদাগর এবং ওই ব্যবসায়ি সমিতির সদস্য ও জাতীয় পার্টির নেতা ওসমান খানসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে।

    সোমবার সকালে নগরীর ডবলমুরিং থানার পাহাড়তলী বাজারে সোহেলের মৃত্যুর পর স্থানীয় ব্যবসায়িরা তাৎক্ষনিকভাবে জানিয়েছে চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে ব্যবসায়ী ও জনতা মিলে মহিউদ্দিন সোহেলকে গণপিটুনি দিলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

    মঙ্গলবার বিকেলে সোহেলের পরিবার সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছে গণপিটুনীর ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। নিহত সোহেলের পরিবার দাবি করে এলাকার মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে।

    তার ছোট ভাই শিশির বলেন, মহিউদ্দিন সোহেল কোন ছিঁচকে চাঁদাবাজ কিংবা সন্ত্রাসী ছিলেন না। তার পারিবারিক ঐতিহ্য আছে। তার সাংগঠনিক ভিত্তি ছিল। তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ছিলেন। আমার ভাই যদি চাঁদাবাজি করতেন, সন্ত্রাসী হতেন তাহলে তার নামে মামলা ও জিডি থাকতো। কিন্তু তার নামে কোনো থানায় মামলা ও জিডি নেই।

    বিএম/রাজীব..