সুবর্ণচরে গণধর্ষণের ঘটনায় চট্টগ্রাম থেকে ২ জন গ্রেফতার : ধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী হাসান!

    চট্টগ্রাম মেইল : স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর জুবলী ইউনিয়নের বাগ্যা গ্রামে গৃহবধূকে (৩৫) ঘর থেকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার হয়েছে ২ জন।

    শুক্রবার ভোরে নগরীর মাদারবাড়ি ও জেলার ফটিকছড়ি থানার নাজির হাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
    গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ষাট বছর বয়সী হাসান আলী ভুলুই ধর্ষণের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    মামলায় এজাহারভুক্ত এ আসামিকে শুক্রবার দুপুর ১টায় চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানার মাদারবাড়ি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া শুক্রবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ মামলায় সন্দেহভাজন জসিম উদ্দিনকে গ্রেফতার করে চরজব্বার থানা পুলিশের একটি দল।

    গণধর্ষণের মামলায় জসিম উদ্দিন ওরফে জইস্যা এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তার নামটি উঠে আসে জানিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চরজব্বর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইব্রাহিম খলিল বলেন, জসিমের নাম এজাহারে ছিলনা। মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে সুবর্ণচরের চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্যম বাগ্যা গ্রামের মোতাহের হোসেনের ছেলে জসিমের নাম উঠে আসে। তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেফতারের পর চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালীতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানালেন তিনি।

    এছাড়াও ধর্ষণ ঘটনায় চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার হাসান আলী ভুলুকে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে ওই নারীর সাথে ভুলুর ঝামেলা হলে সে ধর্ষণের পরিকল্পনা করে। ভুলু সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিনের ‘প্রধান সহযোগী’ হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

    উল্লেখ্য : চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার ২ জনসহ এ ঘটনায় মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে গণধর্ষণের মূলহোতা চরজুবলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য রুহুল আমিনসহ এজাহারভুক্ত ৯ আসামির মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি দুজনকে মামলায় সম্পৃক্ত থাকার তত্য পেয়ে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চরজব্বর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইব্রাহিম খলিল।

    বিএম/রাজীব…