পায়রায় দেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সিমেন্সের সঙ্গে চুক্তি

    বিএম ডেস্ক : পটুয়াখালীর পায়রায় ৩৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এলএনজি ভিত্তিক একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে জার্মানির সিমেন্স এজির সঙ্গে যৌথ উন্নয়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি।

    আমদানি করা এলএনজি নির্ভর এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপিত হলে এটিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র।

    শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেলে জার্মানির মিউনিখে হোটেল শেরাটনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এই যৌথ উন্নয়ন চুক্তি সই হয়। মিউনিখে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল হোটেল শেরাটনে সিমেন্স এজির প্রেসিডেন্ট ও সিইও জোয়ে কাইজার সাক্ষাতের সময় এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

    পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমের উপস্থিতিতে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে ব্রিফ করেন।

    গত ২০১৭ সালের নভেম্বরে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করতে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে ভৌত অবকাঠামোসহ স্বাস্থ্য, শিল্পখাতে কাজ করে আসা জার্মানির সিমেন্স এজির সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে সই করে নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি।

    ৩৬০০ মেগাওয়াটের এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১২০০ মেগাওয়াটের মোট তিনটি ইউনিট থাকবে। আমদানি করা এলএনজি এ কেন্দ্রে কীভাবে আনা হবে তা নিয়ে সমীক্ষা চলছে।

    এ চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশের নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী খোরশেদ আলম ও সিমেন্সের প্রধান নির্বাহী এবং গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট জো কায়সার।

    দেশে সিমেন্সের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের দিয়ে কর্মকাণ্ড শুরু হলেও তারা স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে কাজ করবে।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি মো. নজিবুর রহমান, পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি ইহসানুল করিম, বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমেদ কাইকাস ও জার্মানিতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    পরে জার্মান কোম্পানি ভেরিডোসের প্রধান নির্বাহী হান্স ওলফগাং কুনজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেন।

    বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট তৈরির কাজ করছে ভেরিডোস।

    বৈঠকের পর ই-পাসপোর্ট তৈরির অগ্রগতি সম্পর্কে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, তারা এখন যেভোবে আগাচ্ছেন তাতে আশা করা যায়, ২০১৯ সালের জুন মাসে প্রথম পাসপোর্ট হ্যান্ডওভার করবেন।

    ভেরিডোস বাংলাদেশের ডাটা নিরাপত্তা এবং অন্যান্য খাতে কাজ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে বলেও জানান পররাষ্ট্র সচিব।

    ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেখ হাসিনার জার্মান সফরের সময় বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট চালুর জন্য জার্মানির সরকারি প্রতিষ্ঠান ভেরিডোস জেএমবিএইচের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল।

    বিএম/রনী/রাজীব