চট্টগ্রামে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে “উই রিভোল্ট” বলে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন জিয়া

????????????????????????????????????

চট্টগ্রাম মেইল : চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, পরাধীনতার শৃঙ্খ ভেঙ্গে ১৯৭১ সালের এ দিনে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের শুরু করেছিলেন।

শাহাদাৎ বলেন, ২৫ মার্চ রাতে পাকবাহিনীর অতর্কিত হামলায় নেতৃত্বহীন হয়ে পড়ে দেশের জনগণ। এমনি এক অনশ্চিয়তার মধ্যে বিদ্যুৎ চমকের মতো সবাই শুনলো “উই রিভোল্ট” আমি মেজর জিয়া বলছি। ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে তিনি পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে “উই রিভোল্ট” বলে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন।

শাহাদাত আরো বলেন, চট্টগ্রামে ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে হানাদারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের মশাল জালিয়েছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। সেদিন অমানিশার ঘোর অন্ধকারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো উদয় হলেন জিয়াউর রহমান। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের কর্মীদের সহযোগিতায় তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন। এই ঘোষনাই স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জিয়াউর রহমান এক অবিচেদ্য অংশ।

আজ ২৬ মার্চ বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নাছিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এটি ঐতিহাসিক সত্য। এটাকে অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে যুদ্ধের দাবানল শুরুই হতো না।

২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট থেকে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। এটি হচ্ছে মুক্তিযুুদ্ধের ইতিহাস। আওয়ামীলীগের নেতারা যেখানে ব্যর্থ হয়েছেন সেখানে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সফল হয়েছেন। আর সে জন্যই বর্তমান সরকার তার নাম সহ্য করতে পারে না।

আওয়ামীলীগ জিয়াউর রহমানের নাম শুনলেই ভয় পায়। তারা ইতিহাস বিকৃতি করে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে। যে চেতনাকে সামনে নিয়ে মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলো আওয়ামীলীগ তা ধ্বংস করে দিয়েছে।

আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এএম নাজিম উদ্দিন বলেন, ১৯৭৫ সালের একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাধীনতাকে ধ্বংস করেছিলো আওয়ামীলীগ। আজকে আবার ঠিক একই ভাবে তারা নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়ে ছদ্দবেশে একটা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে। আওয়ামীলীগ মানুষের অধিকার হরণ করে জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার জন্য আজও দেশী-বিদেশী চক্রান্ত কারীরা নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের পরে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের যে ধারা তিনি শুরু করেছিলেন তা বিনষ্ট করে গণতন্ত্রের নামে ফ্যাসিবাদী অপশাসন চালু করেছে বর্তমান সরকার।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের নাম শুনলেও ক্ষমতাসীনদের গাত্রদাহ শুরু হয়। তারা ইতিহাস থেকে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলতে চায়। সে জন্য চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের নাম পরিবর্তন করে শহীদ জিয়ার সমাধিকে সরিয়ে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু তাদের এ ষড়যন্ত্র কোনদিনও সফল হবে না।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষনায় দিশেহারা জাতি পেয়েছিল মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অভয়মন্ত্র। দীর্ঘ নয় মাস ইতিহাসের এক ভয়ঙ্কর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর জাতি মুক্তিলাভ করে। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এদেশের মানুষ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। কিন্তু দেশী-বিদেশী চক্রান্তের ফলে আমাদের গণতান্ত্রিক পথচলা বার বার হোচট খেয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলামের পরিচালনায় আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, হাজী মোহাম্মদ আলী, মাহবুবুল আলম, এসএম আবুল ফয়েজ, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, মোঃ শাহ্ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহিন, আনোয়ার হোসেন লিপু, শাহেদ বক্স, শামসুল হক, সম্পাদকবৃন্দ শিহাব উদ্দিন মুবিন, এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ডাঃ এস.এম. সরোয়ার আলম, হাজী নুরুল আক্তার, মাহমুদ আলম পান্না, আব্দুল নবী প্রিন্স, হামিদ হোসেন, আমিন মোহাম্মদ, আব্দুল বাতেন, শেখ নুরুল উল্লাহ বাহার, থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, হাজী হানিফ সওদাগর, মোঃ সেকান্দর, নগর বিএনপির সহ-সম্পাদক একে এম পেয়ারু, আবদুল হালিম স্বপন, রফিকুল ইসলাম, মোঃ ইদ্রিস আলী, এডভোকেট সেলিম উদ্দিন শাহিন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন, আবু মুছা, আবুল খায়ের মেম্বার, আব্দুল হাই, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহিন, মনির আহমদ চৌধুরী, হাজী জাহিদুল হাসান, নুর হোসেন, আবদুল কাদের জসিম, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলি চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক হাজী নুরুল হক, সদস্য সচিব এডভোকেট আবদুল আজিজ, নগর মহিলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাহ নেওয়াজ চৌধুরী মিনু, নগর যুবদলের সহ-সভাপতি নাসিম চৌধুরী, ম হামিদ, যুগ্ম সম্পাদক হুমায়ুন কবির, এরশাদ হোসেন, মোঃ সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য শেখ রাসেল, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, নগর বিএনপির সদস্য ইউসুফ সিকদার, জাকির হোসেন, মোঃ ইলিয়াছ, আখি সুলতানা, শাহেদা বেগম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী নবাব খান, আক্তার খান, এসএম মফিজ উল্লাহ, কাজী শামসুল আলম, খন্দকার নুরুল ইসলাম, মোঃ ইলিয়াছ, সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান রিপন, ইয়াকুব চৌধুরী নাজিম, জাহেদ উল্লাহ রাশেদ, এস.এম আবুল কালাম আবু, হাজী মোঃ জাহেদ, মোঃ মামুন আলম, মোঃ হাসান, আবু ফয়েজ, সিরাজুল ইসলাম মুন্সি, হাজী মোঃ এমরান উদ্দিন, মনজুরুল কাদের, জসিম উদ্দিন মিয়া, নগর যুবদল নেতা আসাদুর রহমান টিপু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, তানভির মল্লিক, মোহাম্মদ আলী, রাজন খান, মোঃ নওশাদ, সালেহ উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন আনু, মোঃ ইদ্রিচ প্রমুখ।

বিএম/রাজীব..