ঢাকা-কলকাতা নৌরুটে জাহাজ চলাচল উদ্বোধন

বিএম ডেস্ক : ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা নৌরুটে পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচলের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের পাগলার মেরিএন্ডারসন ঘাটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ সার্ভিসের উদ্বোধন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিসি এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৬ সালে ভারতের সঙ্গে গঙ্গা প্রবাহ চুক্তি করেন। এবার উন্মোচিত হচ্ছে নৌ পথে দেশের বাইরে ভ্রমণের এক অন্য দিগন্ত। ২০১৯ আমাদের এ সাফল্যের বাতিঘর হয়ে থাকবে। এ ক্রুজ শিপ এ অঞ্চলে যোগাযোগের এক নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে। এ যোগাযোগ আঞ্চলিক ও সৌহার্দ্যের এক নতুন মাত্রা। দেশি-বিদেশি পর্যটকরা এর মাধ্যমে দেশের সুন্দরবনসহ নানা পর্যটন স্পট দেখতে পারবে যাত্রাপথে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত আমাদের দেশের মানুষদের আশ্রয় দিয়েছিল ও আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছিল। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কও অনেক গভীর।

এমভি মধুমতি

অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ক্রুজ শিপ এমভি মধুমতি রাত ৯টায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পাগলায় অবস্থিত মেরিএন্ডারসনের ভিআইপি ঘাট থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।

যাত্রীদের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ সাধারণ যাত্রী রয়েছেন। জাহাজটি বরিশাল, মোংলা, সুন্দরবন, আংটিহারা, হলদিয়া হয়ে এটি যাবে কলকাতায়। ৩১ মার্চ দুপুর নাগাদ কলকাতা বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত নৌপ্রটোকল চুক্তির আওতায় পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে এ সেবা চালু হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে সফল হলে ঢাকা থেকে কলকাতায় নিয়মিতভাবে নৌযান চলবে। রুটটির পরিধি বাড়িয়ে উত্তর ভারতের আসামের গুয়াহাটি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এ জন্য পরীক্ষামূলকভাবে সুন্দরবন, বরিশাল, চাঁদপুরের মতো আকর্ষণীয় এলাকার ওপর দিয়ে নৌযানগুলো ঘুরে যাবে।

বিএম/রনী/রাজীব