গোপনে দলীয় প্যাড নিয়ে শপথের জন্য চিঠি দিয়েছেন মোকাব্বির

বিএম ডেস্ক : গণফোরাম থেকে নির্বাচিত সাংসদ মোকাব্বির খানকে দলের পক্ষ থেকে শপথ নিতে বলা হয়নি বলে জানিয়েছেন, ঐক্যফ্রন্টের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর লতিফুল বারী হামিম। গণফোরামের প্যাড ব্যবহার করে তিনি ব্ল্যাকমেইল করেছেন। দলীয়ভাবে শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্ত এখনও বহাল রয়েছে।

সোমবার (১ এপ্রিল) তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় একথা জানান তিনি।

মোকাব্বির খানকে ব্ল্যাকমেইলার আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, উনি দলকে ব্লাকমেইল করে গণফোরামের প্যাড ব্যবহার করেছেন। যদি উনি শপথ নেন তাহলে তার বিরুদ্ধে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

গণফোরামের প্যাড তিনি কোথায় পেলেন- এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে লতিফুল বারী হামিম বলেন, উনি কোথা থেকে প্যাড পেলেন এ বিষয়ে আমাদের জানা নেই। হয়তো অফিসের ড্রয়ার থেকে নিতে পারেন। যদি তিনি প্যাড ব্যবহার করেন তাহলে তাকে জবাবদিহি করতে হবে। দলীয় সিদ্ধান্ত হলে অবশ্যই এই প্যাডে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টুর স্বাক্ষর থাকার কথা। কিন্তু ওই প্যাডে মন্টুর কোনো স্বাক্ষর নেই। এছাড়া স্পিকারের কাছে উনি যে চিঠি দিয়েছেন তাতেও মন্টুর স্বাক্ষর ছিল না।

গণফোরামের প্যাডে পাঠানো ওই চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘আমি ও আমার দল গণফোরাম আগামী ২ এপ্রিল বা ৩ এপ্রিল শপথ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তবে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু বলছেন, দলীয় ফোরামে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এই গণফোরাম নেতা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ আসন থেকে সূর্য প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

এর আগে রবিবার (৩১ মার্চ) বিকালে তিনি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা সদরের কলেজ রোডের একটি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি শপথ নেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানান।

প্রসঙ্গত, এর আগে ডাকসুর সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মনসুর শপথ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হন। গণফোরাম সুলতান মনসুরকে দল থেকে বহিষ্কার করে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সব ধরনের কমিটি থেকেও তাকে বাদ দেয়া হয়। গত নির্বাচনের আগে তিনি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হলে তিনি জোটের শীর্ষ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্টিয়ারিং কমিটিরও সদস্য হন।

বিএম/রনী/রাজীব