শপথ নিলেন মোকাব্বির খান

বিএম ডেস্ক : একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমর্থন নিয়ে সিলেট-২ আসন থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধি মোকাব্বির খান সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আজ দুপুর ১২টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিনের কাছে শপথ বাক্যপাঠ করেন গণফোরামের এ নেতা।

জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। শপথ গ্রহণ শেষে মোকাব্বির খান এমপি রীতি অনুযায়ী শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, মাহবুব আরা বেগম গিনি, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, আবদুল লতিফ, আবদুস সোবহান গোলাপ এবং আব্দুস সালাম মুর্শেদী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকার নেতৃবৃন্দ ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সোমবার বেলা ৩টায় গণফোরামের প্যাডে পাঠানো চিঠিতে দু-এক দিনের মধ্যে শপথ নেয়ার আগ্রহের কথা জানান মোকাব্বির। স্পিকার তাকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় শপথ গ্রহণের জন্য সময় দেন।

শপথের বিষয়ে মোকাব্বির খান গণমাধ্যমকে বলেন, আমি গণফোরামের সিদ্ধান্তেই শপথ নিচ্ছি। আমার পার্টি থেকে বলা হয়েছে, শপথ নিতে। আমি তো বিএনপির প্রার্থী না। তাই তাদের বিষয়ে কিছু জানি না।

তবে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেছেন, আমাদের শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্ত এখনও বহাল আছে। তিনি নিজ দায়িত্বে শপথ নিচ্ছেন।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নিয়ে কি করবেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আগামী ২০ এপ্রিল আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক আছে। সেখানে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এর বাইরে গিয়ে কেউ যদি শপথগ্রহণ করে থাকে, সেটি তার নিজ দায়িত্বে। এর সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই।

এর আগে ঐক্যফ্রন্টের আরেক সদস্য গণফোরাম নেতা (বহিষ্কৃত) সুলতান মনসুর শপথ নিয়েছেন। তবে দলীয় নিয়ম ভেঙে শপথগ্রহণ করায় তাকে গণফোরাম থেকে বহিষ্কার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জোট থেকে মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত হন গণফোরামের দুই নেতা সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান। ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে জয়ী হওয়া সুলতান মনসুর গত ৭ মার্চ শপথ নিয়ে এরই মধ্যে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। ওই সময় মোকাব্বিরও শপথ নেবেন বলে জানানো হলেও শেষ পর্যন্ত তখন পিছু হটেন তিনি।

বিএম/রনী/রাজীব