পড়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে -ইডিইউতে ড. মার্ক

ইডিইউ

শিক্ষাঙ্গণ মেইল : ইংরেজি যেহেতু বাংলাদেশিদের নিজস্ব ভাষা নয়, সেহেতু এই ভাষায় দক্ষতা অর্জনে বাংলাভাষীদের বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের এসব কৌশল শেখাতে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে (ইডিইউ) অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি কর্মশালা।

ইডিইউর ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে ‘হাউ টু ইম্প্রুভ ইওর রিডিং স্কিলস’ শিরোনামে এ কর্মশালা ৮ এপ্রিল সোমবার বিকেল ৩টায় ইডিইউ ক্যাম্পাসের সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মশালাটি পরিচালনা করেন একেএস খান সেন্টার ফর অ্যাক্সিলেন্স এর প্রফেশনাল ডেভলপমেন্ট ডিরেক্টর ও ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের প্রাক্তন ডেপুটি পরিচালক ড. মার্ক বার্থোলোমিউ।

তিনি বলেন, ভাষার কাজ একে অপরের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করা। অপরের কথা বুঝতে পারা এবং নিজের কথা অপরকে ভালোভাবে বুঝাতে পারাটাই দক্ষতা। একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জনে প্রথমেই পঠনের উপর জোর দিতে হয়, ইংরেজির ক্ষেত্রেও তাই। অর্থাৎ, পড়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে আমাদের।

শিক্ষার্থীদের রচনার বিষয়বস্তুর উপর গুরুত্ব বাড়িয়ে ব্যাকরণ নির্ভরতা কমানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ব্যাকরণ শেখা নয়, বরং তা আমাদের মধ্যে ধারণ করতে পারলেই দক্ষতা আসবে। এটি পাঠ্যাভ্যাসের মাধ্যমেই রপ্ত করা যায়।

কঠিন ও দুর্বোধ্য রচনা না পড়ে সহজ বিষয় পড়ার কথা বলেন ড. মার্ক। তিনি বলেন, যা তোমাকে আকর্ষণ করে, তা পড়ো। এতে পড়ার ও বুঝার আগ্রহ কমবে না এবং অভ্যাস গড়ে তোলাও সহজতর হবে।

এই কর্মশালাটি সমন্বয় করেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মিথিলা আফরিন। তিনি বলেন, একটি জাতিকে ধ্বংস করতে হলে তাদের পাঠ্যাভ্যাস নষ্ট করে দিলেই হয়। অর্থাৎ, পড়ার অভ্যাস এতটাই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এতে উপস্থিত ছিলেন একেএস খান সেন্টার ফর এক্সিলেন্স এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর শেরফেহনাজ খান।

ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, বর্তমান সময়ে ইংরেজিতে দক্ষতার বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আমাদের অ্যাক্সেস অ্যাকাডেমি ও ইংরেজির ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা কাজ করে। আমাদের এসব নিয়মিত কার্যক্রমের বাইরেও প্রায়ই দক্ষ ব্যক্তিদের এনে শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা কর্মশালা, সেমিনারের আয়োজন করছি। শিক্ষার্থীদের বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সবকিছুই করছি আমরা।

কর্মশালা শেষে অতিথিরা ইডিইউর উপাচার্য অধ্যাপক মু. সিকান্দার খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সামস উদ-দোহা, স্কুল অব লিবারেল আর্টসের ডিন মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন ড. মো. নাজিম উদ্দিন, স্কুল অব বিজনেসের ডিন ড. মোহাম্মদ রকিবুল কবির প্রমুখ।

বিএম/রাজীব..