কক্সবাজার নববর্ষের ছুটিতে পর্যটকে মুখরিত

কক্সবাজার নববর্ষের ছুটিতে পর্যটকে মুখরিত

ইসলাম মাহমুদ,কক্সবাজার : পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টানা তিনদিনের ছুটিতে পর্যটক মুখর ছিল কক্সবাজার। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এসেছেন বেড়াতে। শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে  ‘ঠাঁই ছিলনা। তবে সৈকতে কোনো অনুষ্ঠান না থাকায় অনেকে হতাশ ছিল। কক্সবাজারে এসেছিল প্রায় ৫ লাখ পর্যটক।

পর্যটকরা সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা, ইনানী, হিমছড়িসহ ছয়টি পয়েন্ট ছাড়াও ভ্রমণ করছেন, দরিয়ানগর, হিমছড়ি ঝনা, রামুর বৌদ্ধ বিহার, রেডিয়েন্ট ফিশ ওর্য়াল্ড, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া ও সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করেন। পর্যটকদের সরব উপস্থিতিতে সমুদ্রের পাড় যেন উৎসবে পরিণত হয়েছিল। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরাও ছিল প্রফুল্ল।

হোটেল ব্যবসায়িরা বলছেন, বৃহস্পতিবার থেকে পর্যটক আসতে শুরু করে কক্সবাজাররে। সবগুলো হোটেল-মোটেলে বৈশাখের আমেজে পরিপূর্ণ ছিল।

হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম বলেন, বাংলা নববর্ষ ও টানা সরকারি ছুটিতে একটি হোটেলেও কক্ষ খালি ছিলনা। এবার মনে হয় সবাই ভালো ব্যবসা করতে পেরেছেন।

বরিশাল থেকে আসা শাকিল-রুবিনা দম্পতি বলেন, ‘এ প্রথম কক্সবাজার বেড়াতে আসলাম। খুবই আনন্দ করছি। দু’জনই খুব ভালোভাবে উপভোগ করছি। পহেলা বৈশাখে আসতে পেরে আরও ভালো লাগছে। তবে কোনো প্রোগ্রাম না থাকায় কিছুটা হতাশ।’

কিন্তু রুম না পেয়ে হতাশ ছিলেন সিলেট থেকে আসা সায়েম। তিনি বলেন, ‘আগে রুম বুকিং দেইনি। জানতাম না এত মানুষ কক্সবাজার আসবে।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, ‘নিরাপত্তার কারণে তেমন বড় কোনো প্রোগ্রাম না থাকলেও বিকেলে ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় ১ হাজার ঘুড়ি উড়বে সৈকতের আকাশে।’

বিএম/ইসলাম/রাজীব..