আবার বিয়ের পিঁড়িতে শ্রাবন্তী, পাত্র প্রেমিক রোশন

শ্রাবন্তী

বিনোদন ডেস্ক : ফের বিয়ে করছেন শ্রাবন্তী। পাত্র বর্তমান প্রেমিক রোশন সিংহ। গত সোমবারেই বাগদান হয়ে গিয়েছে তাঁদের। তবে একেবারেই চুপিচুপি। কাউকেই কিছু জানাননি শ্রাবন্তী। প্রায় এক বছর সম্পর্কে থাকার পরেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন এই জুটি।

জানা গেছে,আগামীকাল শুক্রবারই বিয়ে করবেন তাঁরা। কিন্তু কলকাতায় নয়। এই সিদ্ধান্ত সম্ভবত গোপনীয়তার কারণেই। ইতিমধ্যেই চণ্ডীগড়ে পৌঁছে গিয়েছেন তাঁরা। রোশনের বাড়ি সেখানেই। চণ্ডীগড়েই বিয়ে করছেন শ্রাবন্তী ও রোশন। কলকাতায় ফিরবেন আগামী সপ্তাহের মধ্যেই।

সোমবার এনগেজমেন্ট হয়েছে কলকাতার একটি বিলাসবহুল রেস্তরাঁয়। সেখানে রুপোলি রঙের ওয়েস্টার্ন গাউনে সেজেছিলেন শ্রাবন্তী। আর রোশনের পরনে ছিল ব্লেজ়ার-সুট।

তবে দীপিকা পাড়ুকোন-রণবীর সিংহের লেক কোমোর বিয়ের মতো এনগেজমেন্টে নিমন্ত্রিত কারও সঙ্গে ফোন রাখার অনুমতি ছিল না। মেনুতে ছিল কন্টিনেন্টাল ও ভারতীয় খাবার।

এর আগে দু’বার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে শ্রাবন্তীর। পরিচালক রাজীব বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর প্রথম বিয়ে হয় ২০০৩ সালে। শোনা যায়, রাজীব নানা ভাবে নির্যাতন করতেন শ্রাবন্তীকে। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কও ছিল রাজীবের। সেই কারণেই বিচ্ছেদ। রাজীব-শ্রাবন্তীর ছেলেও রয়েছে, ঝিনুক। তবে মায়ের সঙ্গেই থাকে ছেলে। রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে শ্রাবন্তীর সম্পর্ক হয় মডেল কৃষণ ব্রজের সঙ্গে। মহাসমারোহে বিয়েও করেন তাঁরা। তখন শোনা যাচ্ছিল, দু’জনে একসঙ্গে ছবিও করবেন। কিন্তু বিয়ের কিছু দিনের মধ্যেই শুরু হয় মনোমালিন্য। তার কারণ কেউই স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। গত জানুয়ারিতে কৃষণের সঙ্গে বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়ে যায় শ্রাবন্তীর। তার পরেই শ্রাবন্তীর সঙ্গে জড়িয়ে যায় রোশনের নাম।

রোশন পেশায় একটি এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু সুপারভাইজ়ার। তাঁদের সম্পর্কের বয়স বেশি না হলেও দু’জনেই পরস্পরের পরিবারের ঘনিষ্ঠ। আনন্দপুরে বিশাল ফ্ল্যাটে রোশন এবং নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গে দোলের উৎসব উদযাপন করেছিলেন শ্রাবন্তী। তার আগে শোনা গিয়েছিল, শ্রাবন্তীর শুটিংয়ে উপস্থিত থাকতেন রোশনের মা। তাঁকে রীতিমতো ‘মা’ বলে সম্বোধন করতেন শ্রাবন্তী। সুতরাং চুপিসারে হলেও পরিবারের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তুতি বহু দিন ধরেই চলছিল, বোঝাই যাচ্ছে। এবং এই বিয়েতে ছেলে ঝিনুকেরও সায় আছে। কারণ, ছেলের অমতে শ্রাবন্তী বিয়ে করবেন না।

বিএম/রনী/রাজীব

আরো খবর :: ওয়েব সিরিজ ‘চেনা পথের অপরিচিতা’