বিএনপি নেতা শাহীন হত্যার রহস্য উদঘাটন,আটক ২

বিএম ডেস্ক : বগুড়ায় বিএনপি নেতা ও পরিবহন ব্যবসায়ী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম শাহীন হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে এবং হত্যার কারণ জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- শহরের নিশিন্দারা মধ্যপাড়া এলাকার মৃত কালু শেখের ছেলে পায়েল শেখ (৩৮) ও নিশিন্দারা মন্ডল পাড়ার আবু তাহেরের ছেলে রাসেল (২৮)।

পুলিশ সুপার বলেন, জেলা মোটর মালিক গ্রুপের নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরেই ওই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জড়িত থাকার কথা স্বীকারও করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে কমপক্ষে ১০ জন অংশ নিয়েছে। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে রিমান্ডে নেওয়া হবে।

তবে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা গেলেও ধারালো অস্ত্রের খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি। নিহত শাহীনের স্ত্রী আকতার জাহান শিল্পী গত ১৬ এপ্রিল বিকালে বগুড়া সদর থানায় মামলা করেছেন। এতে বগুড়া মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়।

বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ আরও বলেন, শাহীন মোটর মালিক গ্রুপের বিবাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর মোটর মালিক গ্রুপের দায়িত্বশীল এক নেতার অফিসে গোপন বৈঠক করা হয়। সেখানে শাহীনকে নিষ্ক্রিয় (হত্যা) করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বৈঠকে মোটর মালিক গ্রুপের সেই নেতার সাথে তার সার্বক্ষণিক এক সহযোগী এবং চারমাথা এলাকার একজন ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ীসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিল। এছাড়া অফিস রুমের বাইরে আরও কয়েকজন অপেক্ষায় ছিল।

তিনি বলেন, বুধবার ভোরে রাসেলকে একটি মোটর সাইকেলসহ শহরের নিশিন্দারা বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জেলার গাবতলী উপজেলার কাগইল ইউনিয়নের আমলিচুকাই গ্রাম থেকে পায়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পায়েল ৯টি মামলার আসামি।

বিএম/রনী/রাজীব