মালিবাগ কাঁচাবাজারের আগুনে পুড়েছে ২৫০ দোকান,ক্ষতি ৫ কোটি টাকা

বিএম ডেস্ক : রাজধানীর মালিবাগ কাঁচা বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুড়ে গেছে বাজারের প্রায় ২৫০ দোকান।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর ৫টা ২৭ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট প্রায় একঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ভোর ৬টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

মালিবাগ বাজার বণিক সমবায় সমিতি জানায়, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তের শিকার এক দোকানদার বলেন, পাশের পলিথিনের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় ভোর ৫টার দিকে। এরপরই অন্য দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমদিকে স্থানীয়রা আগুন নেভাতে পানি দেয়া শুরু করে। এর মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের ১২ ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, এখানে প্রায় ২৫০টি দোকান আছে। যার বেশিরভাগের মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মাছ-মাংসসহ কাঁচাবাজারের সবই পুড়ে গেছে।

বাজারের মাছ বিক্রেতা কাজী সিরাজ বলেন, প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকার ইলিশ মাছ ছিল। সব মাছ পুড়ে গেছে। প্রতিটি মোদি দোকানে ৫০/৬০ লাখ টাকার মালামাল ছিল। প্রায় সব দোকানই পুড়ে গেছে।

মালিবাগ বাজার বণিক সমবায় সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ নুরুল হক নুরু বলেন, ২৫০ টি দোকানের মধ্যে একটি দোকানও অবশিষ্ট নেই। মাছ, মাংস, ডিম, গুরু, ছাগল, চাল, টিন সবই পুড়ে গেছে। নগদ টাকাও পুড়েছে। অন্তত ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করেন নুরুল হক।

মাছ, সবজি ও ডিমের প্রত্যেকটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ছাগল পুড়েছে প্রায় ৩০টি। পুড়েছে দুটি গরু, মাছ ও মুরগি। তবে দারোয়ানের বুদ্ধিমত্তার কারণে একটি মেসের সবাই প্রাণে অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন।

ব্যবসায়ী সাইফুল ও রুবেল বলেন, আমার দুটি গরু ও ৪০টির মতো ছাগল পুড়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক দিলীপ কুমার ঘোষ বলেন, ২০-২৫ জনকে নিরাপদ স্থানে বের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২০টির মতো ছাগল পুড়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। তদন্ত কমিটি গঠন করে এর কারণ বের করা হবে।

বিএম/রনী/রাজীব