হালদায় মা মাছ ও ডলফিন রক্ষায় সাঁড়াশি অভিযান : ৪টি ইঞ্জিন নৌকা ধ্বংস

মা মাছ বাঁচাতে হালদায় অভিযান

চট্টগ্রাম মেইল : দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজণন ক্ষেত্র চট্টগ্রামের হালদা নদীর মা মাছ রক্ষায় গত ৭ মাস ধরে অব্যাহত অভিযান পরিচালনা করছে উপজেলা প্রশাসন। সম্প্রতি এ নদীতে একের পর এক ডলফিন মারা যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসন আরো কঠোর হয়। তাছাড়া মা মাছের ডিম পাড়ার মৌসুম ঘনিয়ে আসায় গত মার্চ মাস থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সময়ে হালদা নদীতে ইঞ্জিনচালিত নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রশাসন।

তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইঞ্চিন চালিত নৌকার মাধ্যমে দিনে রাতে সমানে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে স্থানীয় অসাধু ব্যাক্তিরা। অভিযোগ পেয়ে হালদা নদীতে রবিবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত তিন ঘন্টার সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।

হাটহাজারী উপজেলার সাত্তার হাট থেকে উত্তর মেখল এলাকায় হালদা নদীর বিভিন্ন অংশে পরিচালিত অভিযানে চারটি ইঞ্জিন চালিত নৌকায় বালু উত্তোলনের সম্পৃক্ততা পায়। উপজেলা প্রশাসন এসব নৌকা জব্দ করে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেন। তবে নৌকা গুলো জব্দ করার সময় নৌকার মালিকদের পাওয়া না যাওয়াতে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বললেন নির্বাহী কর্মকর্তা।

রবিবার হালদা নদীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিনের নেতৃত্বে পরিচালিত সাঁড়াশি অভিযানটি ঢাকা থেকে সরাসরি মনিটরিং করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, মা মাছের ডিম পাড়ার মৌসুম আসন্ন হওয়ায় হালদা নদীতে ইঞ্জিন চালিত নৌযান বন্ধ ঘোষনা করা হয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কিছু অসাধু ব্যাক্তি হালদায় ইঞ্জিন চালিত নৌযানে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে। আজ সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ৪টি বালু উত্তোলনকারী ইঞ্জিন চালিত নৌযান জব্দ করে সেগুলো ধ্বংস করা হয়।

তবে মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সাধারণ নৌকা চলাচল করতে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই জানিয়ে ইঞ্জিন চালিত নৌকা বন্ধ রাখতে স্থানীয়দের সতর্ক করা হয় বললেন রুহুল আমিন।

বিএম/রাজীব সেন..