সীতাকুন্ড যুবলীগ কর্মী তামিমকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

সীতাকুন্ড প্রতিনিধি : সীতাকুন্ড সলিমপুর ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা জাফরুল্লাহ তামিম নামে এক যুবলীগ কর্মীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের ধারণা তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে বলা হয়, নিহত তামিম স্থানীয় যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। তার পিতার নাম সেকান্দর হোসেন প্রকাশ সেকান্দর বাদশা। সেনাবাহিনীর অফিসার ও ঢাকা সম্মিলিত সাময়িক হাসপাতালে কর্মরত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. ইউসূফ নিহত তামিমের চাচা।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার গভীর রাতে ফকিরহাট এলাকার ওভারব্রীজ এলাকা থেকে তামিমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়রা মনে করেন তাকে কে বা কারা হত্যা করে ফকিরহাটের ব্রীজের নিচে তার লাশ ফেলে গেছে। তবে কি কারণে তামিমকে হত্যা করেছে তার স্পষ্ট কোন কারণ বলতে পারছেনা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই হামিদ বলেন, গত রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি তামিম নামে এক যুবককে গুরতর আহতবস্থায় মেডিকেলে নিয়ে আসলে ডাক্তার মৃত ঘোষনা করে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ মর্গে রাখার তথ্য জানিয়ে তিনি বিষয়টি সীতাকুন্ড থানাকে অবহিত করার কথা বললেন।

নিহত তামিমের ছোট ভাই তাহেরুল্লাহ শামীম জানিয়েছে, তামিম সলিমপুর ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা ছিলেন। তাকে কে বা কারা কি উদ্দ্যেশে হত্যা করেছে রহস্য উন্মোচনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

নিহত তামিমের আরেক ভাই মাসুম জানিয়েছে, তেলের ব্যবসা নিয়ে স্থানীয় একটি সিন্ডিকেটের সঙ্গে নিহত তামিমের বিরোধ ছিল। তার ধারণা বিরোধের জেরে পাক্কা রাস্তা মাথা এলাকা থেকে তামিমকে ধরে নিয়ে গিয়ে লোহাড় রডের আঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এঘটনায় সন্দেহজনক এক যুবককে আটক করে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এমন তথ্য দিয়েছে নিহতের ছোট ভাই।

তামিমের মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল মজিদ বলেন, চমেক পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরে সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সোহেল নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিএম/কামরুল/রাজীব…