রাণীশংকৈল কাতিহার হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়

বিএম ডেস্ক : রাণীশংকৈল উপজেলার কাতিহার হাটে গরু ছাগল, ধান, সরিষা, গম সহ প্রতিটি পণ্যে অতিরিক্ত টোল আদায় করা হচ্ছে। এতে প্রশাসনের মাথা ব্যাথা দেখা যায়নি একটুও।

গরীব অসহায় মানুষের পকেট কেটে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। উপজেলার ঐতিহ্যবাহি গরু ছাগলের হাট কাতিহার।

অতিরিক্ত টোল আদায়ের দৃশ্য

২৭ এপ্রিল সরেজমিনে গিয়ে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত টোলের চেয়ে বেশি পরিমান টোল আদায় করার সত্যতা পাওয়া যায়।

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত গরু প্রতি ২৩০ টাকার বদলে ২৭০ টাকা এবং ছাগল প্রতি ৯০ টাকার বদলে ১৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বাই-সাইকেল ৯০ টাকার বদলে ২৩০টাকা, সরিষার বস্তা প্রতি ৩৫
টাকা, গম বস্তা প্রতি ২৫ টাকা এভাবে প্রতিটি পণ্যে অতিরিক্ত টোল আদায়ের সত্যতা পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য যে হাটে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক টোল আদায় করা হয়।

এভাবে প্রতি বছর গরীব অসহায় মানুষের পকেট থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অথচ গত বছরের তুলনায় এ বছর গরু প্রতি ৫০ টাকা বেশি হারে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তথাপি আরো অতিরিক্ত ২০টাকা বেশি হারে টোল আদায়কে কেন্দ্র করে ক্রেতা

বিক্রেতাদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।নয়নপুরের রেজাউল, বিষ্ণপুরের বাবুল, বনবাড়ি’র প্রতাপ চন্দ্র রায় সহ অনেকে জানান গরু
প্রতি ২৫০ টাকা, ছাগল ১৩০, সাইকেলে ২৬০ টাকা হারে টোল আদায় করছে ইজারাদার।
উল্লেখ্য ২৮ এপ্রিল নেকমরদ হাটে গরু প্রতি ২৬০, ছাগল ১৩০, বাই সাইকেল ২৬০ টাকা হারে
বাধ্যতামূলকভাবে টোল আদায় করছে হাট ইজারাদার।

হাট বন্দোবস্তকারী তোজাম্মেল হকের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলা হলে গরু ২৫০ টাকা, ছাগল
প্রতি ১৩০ টাকা হারে টোল আদায়ের সত্যতা স্বীকার করেন।

অতিরিক্ত টোল আদায়ের ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সোহাগ
চন্দ্র সাহা বলেন, আমি এসিল্যান্ড একা পেরে উঠছিনা। আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলেছি
দেখা যাক তিনারা কি পদক্ষেপ নেন। অতিরিক্ত টোল আদায়ের ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা দরকার।

বিএম/গৌতম/রনী