রংপুরে কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জীবন দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক সেমিনার

    কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জীবন দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক সেমিনার রংপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    শুক্রবার আরডিআরএস বেগম রোকেয়া মিলনায়তনে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাক্তার অমল চন্দ্র সাহা।

    পরিবার পরিকল্পনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর সিভিল সার্জন ডাঃ আবু মোঃ জাকিরুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মসূচী ব্যবস্থাপক ডাঃ মোঃ জয়নাল হক, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডাঃ এসএম সাইদুল ইসলাম,বি,এমএ সভাপতি ডাক্তার দেলোয়ার হোসেন।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোজাম্মেল হক ।

    বাংলাদেশে কৈশোর স্বাস্থ্য চিত্রও সরকারের গ্রহীত কর্মসূচি নিয়ে পাওয়ার পয়েন্টের উপস্থাপন করেন প্রোগাম ম্যানেজার ডাঃ মোঃ জয়নাল হক।

    পরে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেয় সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা হুমাযুন কবীর,সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন, রংপুর সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোশারফ্ফ হোসেন, রংপুর মেডিকেল কলেজের গাইনোকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাক্তার প্রফেসর ফেরদৌসি বেগম ,গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডাক্তার হানিফ মিয়া ,কুড়িগ্রামের সি ,এস ডাক্তার আমিনুল ইসলাম ,রংপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রোখসানা বেগম, কিশোর আবিদ সাদাত প্রমূখ ।

    সভায় বক্তারা বলেন, সরকার কৌশর বান্ধব সেবা কর্নারের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের সাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করে যাচ্ছে। যেখানে চিকিৎসকরা আন্তরিকতা ও গোপনীয়তার সাথে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসা দিচ্ছেন। তবে অনেক কিশোর-কিশোরী এ সেবা সম্পর্কে অবগত নয়। তাদের অবগত করার জন্য পরিবার পরিকল্পনা দপ্তর থেকে প্রতি মাসে ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

    বর্তমানে দেশে ৪০৩ টি কৌশর বান্ধব স্বাস্থ্য কর্ণারের কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হচ্ছে। আগামী বছর আরও ২’শটি কর্নার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ সময় কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে চিকিৎসকদের বন্ধু সুলভ আচারণের মাধ্যমে সেবা দেয়ার তাগিদ দেয়া হয়।

    সভায় রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুরের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন, ইসলামী ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা, তথ্য বিষয়ক কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাংবাদিকসহ ৯১জন অংশ নেন।

    বিএম/সোহেল রশীদ/রনী