দেহরক্ষীকে রাণী বানিয়েছেন থাই রাজা ভাজিরালংকর্ন

থাইল্যান্ডের রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ন তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় থাকা এক দেহরক্ষীকে বিয়ে করে রাণী বানিয়েছেন। রাজ পরিবার থেকে দেয়া এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সিংহাসনে আরোহণের কথা রয়েছে রাজা ভাজিরালংকর্নের। তার আগেই থাই রাজা তার নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর উপপ্রধান সুতিদা তিদজাইকে বিয়ে করেন এবং তাকে রাণী উপাধি দেন।

রাজ পরিবার থেকে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জেনারেল সুতিদা তিদজাইকে রাজা তার রাজকীয় সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি তাকে বিয়ে করে রাণীর মর্যাদা দিয়েছেন। এখন থেকে তিনি রাজ পরিবারের একজন সদস্য।

রাজ পরিবার থেকে রাজার বিয়ের একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকশ করা হয়েছে। বুধবার থাই টিভিতে ওই ভিডিওটি প্রচার করা হয়। যেখানে রাজাকে সুতিদার মাথায় পবিত্র পানি ছিটাতে দেখা যায়। পরবর্তীতে তারা বিয়ের রেজিস্ট্রিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় রাজপরিবারের সদস্য এবং উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন।

সুতিদাকে দীর্ঘদিন ধরে রাজার সাথে জনসম্মুখে দেখা গেলেও তার মধ্যেকার সম্পর্ক নিয়ে এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই বলা হয়নি।

থাই এয়ারওয়েজের সাবেক বিমানবালা সুতিদাকে নিজের দেহরক্ষীদের একটি ইউনিটের উপ কমান্ডার হিসেবে ২০১৪ সালে নিয়োগ দেন ভাজিরালংকর্ন। আর ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে রয়েল থাই সেনাবাহিনীর একজন পূর্ণাঙ্গ জেনারেল হিসেবে সুথিদাকে পদোন্নতি দেন রাজা।

এরপর ২০১৭ সালে তাকে তার ব্যক্তিগত প্রহরীদের উপ কমান্ডার নিয়োগ করেন। এ ছাড়া তিনি তাকে থানপুইং বিশেষণে ভূষিত করেন। থাইল্যান্ডে এটি হলো একটি রাজকীয় পদবী, যার অর্থ হলো লেডি।