‘ফণী’ খুলনা অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানবে

যেকোনোভাবেই ফণী বাংলাদেশে আঘাত হানবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামছুদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (০২ মে) সকালে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

শামছুদ্দিন বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণী পশ্চিম-মধ্য মোংলায় অবস্থান করছিল, সেখান থেকে এখন উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়েছে। বর্তমানে মোংলা থেকে ৯২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে।

তিনি আরও বলেন, চারিদিকে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রবাহিত হচ্ছে এ কারণে ভারতীয় উপকূল অতিক্রম করার পরও বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা আছে ফণীর।

এছাড়া উপকূল অতিক্রম না করলেও বাংলাদেশে আসবে। যেকোনো ভাবেই হোক ফণী বাংলাদেশে আসবেই। মূলত খুলনা অঞ্চল দিয়েই এই ঝড় আসবে।

শামসুদ্দীন বলেন, মূলত খুলনা অঞ্চল দিয়েই এই ঝড় প্রবেশ করবে, তাই খুলনা ও পায়রা বন্দরকে ৪ হুঁশিয়ারি সংকেত থেকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর এলাকায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত থাকবে। এছাড়া চট্টগ্রামকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী ও চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর এলাকায় ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। কক্সবাজারকে এখনও ৪ নাম্বার সংকেতই দেখানোর কথা বলা হয়েছে।

শামছুদ্দিন আহমদ আরও বলেন, এছাড়া উপরোক্ত জায়গায় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তার থেকে ৫ ফিট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ঘন্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে দমকা ও ঝড় হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এছাড়া ৩ মে সন্ধ্যায় মূল আঘাত হানতে পারে।

বিএম/রনী/রাজীব