ডিম রান্নার স্বাস্থ্যকর উপায়

কম বা অতিরিক্ত রান্নার কারণে ডিমের স্বাভাবিক পুষ্টিগুণের তারতম্য ঘটে।

তাই সঠিক পুষ্টিগুণ পেতে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ডিম রান্নার কৌশল এখানে জানানো হল পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে।

সঠিক তেল: রান্নার জন্য এমন তেল বেছে নিতে হবে যা উচ্চ তাপমাত্রাতেও স্থিতিশীল থাকতে পারে। অর্থাৎ সেই তেল দিয়ে রান্না করতে হবে যা উচ্চ তাপমাত্রাতেও ‘অক্সিডাইজড’ বা বাষ্পীভূত হয়ে না যায়। নারিকেল তেল এবং ‘একস্ট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল’ এমন দুটি তেল। এছাড়া মাখন হতে পারে তেলের স্বাস্থ্যকর বিকল্প।

অতিরিক্ত রান্না: ডিম বেশি রান্না করে ফেললে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। কড়াইতে ভাজলেও এমনটা হতে পারে। এছাড়াও ডিম বেশি তাপ পেলে তাতে ‘অক্সিডাইজড কোলেস্টেরল’য়ের মাত্রাও বেড়ে যায়।

রান্নার পদ্ধতি: যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাচ্ছেন তাদের উচিত হবে সিদ্ধ ডিমে সীমাবদ্ধ থাকা, যাতে বাড়তি ক্যালরি শরীরে গ্রহণ করা না হয়।

সবজি: ডিমের রেসিপিকে আরও স্বাস্থ্যকর করার সবচাইতে সহজ উপায় হল তাতে বিভিন্ন সবজি যোগ করা। এছাড়াও সালাদে সিদ্ধ ডিম মেলাতে পারেন। ওমলেটে ছড়িয়ে দিতে পারেন সবুজ সবজি কিংবা সবজি রান্নার সময় তাতে ফেটে নেওয়া ডিম মিশিয়ে দিতে পারেন।

মূল কথা ডিম যত কম সময়ে রান্না শেষ করা যাবে সেটা ততই কম পুষ্টি উপাদান হারাবে। আর ওজন কমাতে চাইলে ভাজা ডিম এড়িয়ে চলতে হবে, খেতে হবে সিদ্ধ ডিম।