আলোড়ন সৃষ্টি করেছে শ্রীলঙ্কা
সমুদ্রে ফেলা প্লাস্টিক দিয়ে বিশ্বকাপ জার্সি

বিশ্বকাপ সামনে, তাই বিশ্বকাপের জার্সির মত ছোটখাটো বিষয়ও এখন আলোচনার বড় বিষয়। অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক জার্সির নতুন করে প্রণয়নের বিষয়টি বেশ প্রশংসিত হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার পরিবর্তিত জার্সিও ফেলেছিল ভালো সাড়া। বাংলাদেশের জার্সি নিয়ে তো রীতিমত তুলকালাম কাণ্ডই ঘটে গেছে। এরই মাঝে উন্মোচিত হয়েছে শ্রীলঙ্কার জার্সি।

এবারের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা যাবে অস্বস্তি নিয়ে। মাঠের পারফরম্যান্সে তো বিবর্ণই, মাঠ ও মাঠের বাইরে দলকে নিয়েও আছে নানা বিতর্ক। তবে শ্রীলঙ্কা প্রশংসা কুড়িয়েছে নিজেদের বিশ্বকাপ জার্সির মাধ্যমে।

গত শুক্রবার (৩ মে) কলম্বোর তাজ সমুদ্র হোটেলে এক জাঁকজমক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ জার্সি উন্মোচন করা হয়।

শ্রীলঙ্কার জার্সি নজর কেড়েছে একাধিক কারণে। মূলত সমুদ্রে ফেলা প্লাস্টিককে রিসাইকল করে শ্রীলঙ্কা দলের জার্সি বানানো হয়েছে। আর জার্সিতে যে টার্টলের ছবিটা আঁকানো আছে এর মানে হলো marine pollution এর ফলে সামুদ্রিক কচ্চপের উপর এর নেগেটিভ প্রভাব। পুরু জার্সিটার হিডেন মেসেজ হলো “save ocean, save turtle”। অথাৎ সমুদ্রকে বাঁচানোর জন্য বিশ্বকাপ জার্সিকে একটি বার্তা হিসেবে ব্যবহৃত করতে চেয়েছে দ্বীপদেশটি।

মূল জার্সি, অর্থাৎ যে জার্সি পরে দল ম্যাচ খেলতে নামবে তাতে রয়েছে প্রচলিত গাঢ় নীল ও হলুদ রঙের মিশ্রণ। এছাড়াও রয়েছে গ্রাফিক্সের কারুকাজ। জার্সির বুকে বড় করে সাদা রঙে লেখা রয়েছে ‘শ্রীলঙ্কা।’ অনুশীলনের জন্য তৈরি করা জার্সিতে নীল ও কালো রঙের মত গাঢ় রঙের আধিক্য। আর এর বুকে রয়েছে দলের স্পন্সর কেন্ট মিনারেল ওয়াটার পিউরিফায়ারের লোগো।

জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপে দলের অধিনায়ক দিমুঠ করুনারত্নের হাতে জার্সি তুলে দেন শ্রীলংকান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ও কর্মকর্তারা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পৃষ্ঠপোষকরা।