৯ বছর এক অফিসে বহাল : অনিয়ম, দূর্নীতিতে চকরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকতা

চকরিয়া প্রতিনিধি : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আতিক উল্লাহ। গত ২০১১ সালের ১০ জানুয়ারী তিনি এ অফিসে যোগদান করেন। তার যোগদানের পর থেকে দীর্ঘ ৯ বছর তিনি স্বপদেই বহাল থেকে জড়িয়ে পড়েছে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতিতে। কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার বাসিন্দা এ বিসিএস ক্যাডার।

সরকারী বিধি মোতাবেক একই জেলার বাসিন্দা বিসিএস ক্যাডার অফিসার নিজ জেলা বা উপজেলায় চাকুরী করার কোন বিধান নেই। এছাড়া সংস্থাপন বিভাগ কর্তৃক ইস্যুকৃত (স্বারক নাং ই ডি .এস এ-এ/৮২-২২৭ তাং ৬-৫-১৯৮২ ইং মূলে কোন সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী একাধিক ক্রমে ৩ বছরের অধিক সময় একস্থানে চাকুরী করিতে পারিবেনা মর্মে নির্দেশ রয়েছে। তা স্বর্থেও এ কৃষি কর্মকর্তা একটানা ৯ বছর ধরে একই অফিসে কি ভাবে চাকুরী করে যাচ্ছেন তা নিয়ে সচেতন মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

শুধু তাই নয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন ছাড়াও জেলার অধিনে আরো কয়েকটি উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করার অভিযোগও পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে।

সুত্র জানায়, গত ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ইং তারিখ স্বারক নং ১৪২৪৮/১(২১) মূলে বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি. ফার্মগেট ঢাকার মহাপরিচালক মো. আবদুল আজিজ ওই কর্মকর্তাকে চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলায় বদলী করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তিনি ওই কর্মস্থলে যোগদান না করে ঘুরে ফিরে চকরিয়ায় বহাল তবিয়তে কর্মরত রয়েছেন।

তার অধিনস্থ ওই অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তার অশোভন আচরণে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে বলে ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করেছেন। তারা অবিলম্বে ওই কর্মকর্তাকে চকরিয়া থেকে প্রত্যহার করে নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা কৃষি বিভাগের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে মোবাইল ফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যে ওই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক উল্লাহকে বিধি মোতাবেক অন্যত্রে বদলী করার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বিএম/নুরদ্দোজা/রাজীব..