আজ শহীদ ছাত্রনেতা এহসানুল হক মনি’র ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

শহীদ ছাত্রনেতা এহেসানুল হক মনি কলেজিয়েট স্কুল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করে ক্যান্টনমেন্ট কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হন। পরবর্তীতে সিটি কলেজে ট্রান্সফার হওয়ার প্রক্রিয়ায় ছিলেন তিনি।

সিটি কলেজে রাজনৈতিকভাবে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন মনি। ১৯৭১ এর আগে এবং পরে সরকারী সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ কখনো স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে আপোষ করেনি। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৪ সালে ২৬ জুলাই মায়ের কাছে নিজ ডায়েরীতে লিখা- “মা আমি আজ লালদিঘীর মাঠে স্বাধীনতা বিরোধী গোলাম আযমের সমাবেশ প্রতিহত করতে যাচ্ছি।”

শহীদ ছাত্রনেতা এহসানুল হক মনি

শুরু হল আন্দোলন, নেতাকর্মীরা সমাবেশ প্রতিহত করতে দলে দলে লালদিঘীর ময়দানের দিকে ছুটতে লাগল এমন সময় জামায়াতের লেলিয়ে দেওয়া শিবির ক্যাডাররা ভারী ভারী অস্ত্র নিয়ে গুলিবর্ষণ করে সাথে সাথে পুলিশ বিডিআর গুলিবর্ষণ করে।

এমন সময় এহসানুল হক মনির মাথার পেছনে গুলি লাগে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি এবং শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সমাবেশে যাওয়ার পূর্বমুহূর্তে মায়ের কাছে নিজ ডায়েরীতে লিখা চিঠির মাঝ দিয়ে এত করুনভাবে বিদায় নিবে, এটা ছিল একেবারেই অকল্পনীয়। এখনও সে ক্ষত শুকায়নি।

শহীদ ছাত্রনেতা এহসানুল হক মনির ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবর জেয়ারত এবং তার আত্নার মাগফেরাত কামনা করেন ছাত্রলীগের সাবেক এবং বর্তমান নেতৃবৃন্দ।

কবর জেয়ারতে উপস্থিত ছিলেন সিটি কলেজ ছাত্রলীগ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান মেনন,সাবেক ভিপি রাজীব হাসান রাজন,রেল শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন,মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য আরাফাত রুবেল,সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আবদুল মালেক,মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান,মোহাম্মদ হাদী,সাইফুল সি ইসলাম প্রমুখ।

বিএম…