জাবি ভিসির কাছে চাঁদা দাবীঃ বান্ধবীকে দিয়ে ফোন করাতো রাব্বানী

    জাবি ভিসির কাছে চাঁদা দাবীঃ বান্ধবীকে দিয়ে ফোন করাতো রাব্বানী

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রকল্পের পরিপ্রেক্ষিতে চাঁদার জন্য ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক গোলাম রাব্বানী তার বান্ধবীর মাধ্যমে ফোন দিয়ে বিরক্ত করতেন বলে দাবি করলেন উপাচার্য ফারাজানা ইসলাম।

    তিনি দাবি করেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারন সম্পাদক গোলাম রাব্বানী তার কাছে ৬% চাঁদা দাবি করেছিলেন যেটির পরিমাণ প্রায় ৮৬ কোটি টাকা।
    আমি বলেছি একটা প্রকল্পের এতগুলো টাকা যদি আমি দিয়ে ফেলি ভবন কেমনে উঠবে। এ সময় তারা আমার সাথে রূঢ় আচরণ করে।
    তারা আমাকে বলে এটা সংগঠন চালানোর খরচ, সব জায়গায় দিতে হয়।

    ঈদের আগে জাবি ছাত্রলীগকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে
    রাব্বানীর এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে উপাচার্য বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। সে তার বান্ধবী দিয়ে ফোন করিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প পরিচালককে নানাভাবে বিরক্ত করেছে। তারা আমার বাসায় এসেছিল আমি তাদের দাবি মানিনি। তাই তারা ক্ষুব্ধ এবং হতাশা হয়ে এসব অভিযোগ করছে।’

    তিনি বলেন, ‘তারা (শোভন-রাব্বানী) আমার বাসায় এসে কাজের কমিশন দাবি করেছে। বলে, আপনি কিছু বলছেন না কেন? আপনাদের ছাত্রলীগ (জাবি ছাত্রলীগ) বলে ২%, এখনকার দিনে ৪%-৬% নিচে কাজ হয় না। দেশে যে সমস্ত কাজ হচ্ছে ছাত্রলীগ শেয়ার পাচ্ছে। এই বিষয়ে আমাদের অনুমতি আছে।

    ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সম্পাদক নাকি হাসপাতালে গিয়ে আপনার কাছে টেন্ডার দাবি করেছিলো? এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘হ্যাঁ। তারা হাসপাতালে গিয়ে আমার কাছে ২/৩ টা শিডিউল দাবি করেছিল। হাসপাতালে ২/৩শ লোক নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে পরিবেশ বিনষ্ট করছিল। তখন আমি খুব অনিরাপদ বোধ করেছিলাম। এরপরই আমি এই ঘটনা এবং জাকসু নিয়ে কথা বলতে তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলাম।

    আরো: ছাত্রলীগের প্যাডে চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীকে কি লিখেছেন রাব্বানী?