বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা বিভাগে ভর্তি

বাংলাদেশ মেইল ::

করোনা আক্রান্ত হয়ে ১০ দিন সেলফ আইসোলেশনে থাকার পর হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা বিভাগে ভর্তি হয়েছেন। ১১ তম দিনে করোনার কারনে তার শরীরের তাপমাত্রা বেড়েছে বলে জানিয়েছে বৃটিশ গণমাধ্যমগুলো।

করোনায় আক্রান্ত হবার দশদিন পর গতকাল বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস হাসপাতালে জরুরী ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছিলেন । রবিবার তিনি জরুরিভাবে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য যান। লন্ডনের সেন্ট টমাস হসপিটালের চিকিৎসকদের তত্বাবধানে ছিলেন তিনি।

সোমবার ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি একই হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ারে ভর্তি হন

বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়,  বরিস জনসন নিজের শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারনে জরুরী হাসপাতালের শরণাপন্ন হয়েছেন। ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটের মুখপাত্রের বরাতে ইভনিং স্টান্ডার্ট লিখেছে,  প্রধানমন্ত্রী বরিস ২৫ মার্চের পর ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে আইসোলেশনে ছিলেন। তার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারনে রুটিন চেকআপে হাসপাতালে যান বরিস।

বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নিজের করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজেটিভ হবার পর থেকে ঘরে বসে অফিস করছিলেন৷ তিনি বৃটেনের দুর্যোগ মুহুর্তে এনএইচএস’র (ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস) কর্মিদের বাহবা দেন বিভিন্ন সময়৷

৫৫ বছর বয়সী বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী প্রথম কোন উচ্চ পদস্থ ব্যাক্তি যিনি নিজের করোনায় আক্রান্তের খবর জানিয়েছিলেন।

ডাউনিং স্ট্রিট বলেছে যে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন তাঁর করোনভাইরাস লক্ষণ “খারাপ” হওয়ায় হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যাতে স্থানান্তরিত হয়েছেন।

মিঃ জনসন পররাষ্ট্রসচিব ডোমিনিক রবকে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন বলে একজন মুখপাত্র বলেছেন।প্রধানমন্ত্রীকে (৫৫) রোববার লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে “নিয়মিত লক্ষণ” নিয়ে ভর্তি করা হয়েছিল।

মুখপাত্র বলেছেন যে তিনি তার চিকিৎসা দলের পরামর্শে সরে এসেছিলেন এবং তিনি “দুর্দান্ত যত্ন” পাচ্ছেন।

একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে: “রবিবার সন্ধ্যা থেকে প্রধানমন্ত্রী কর্নাভাইরাসের অবিচ্ছিন্ন লক্ষণ সহ ভর্তি হওয়ার পরে লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন।

“আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে এবং তার মেডিকেল টিমের পরামর্শে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।”