বাংলাদেশ মেইলের টক শো মেয়র নাসির
ভবিষ্যতে নগরীর কান্ডারীর প্রতি আকুন্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি মেয়রের

শাহাদাত শাওন, বাংলাদেশ মেইল ::  

চট্টগ্রাম নগর উন্নয়নে ভবিষ্যতের কান্ডারী যে-ই হোক না কেন,মন -প্রাণ উজাড় করে আকুন্ঠ সমর্থন দেওয়ার অঙ্গিকার করেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ও চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আ.জ.ম. নাছির।

শনিবার রাত সাড়ে আট টায় বাংলাদেশ মেইলের নিয়মিত আয়োজন টক শো ‘চারপাশ ‘ এর তৃতীয় পৃর্বে ‘চট্টগ্রাম নগরীর প্রাপ্তি এবং প্রত্যাশা ‘শীর্ষক শিরোনামে ভার্সুয়াল টক শো তে এই অঙ্গিকার করেন তিনি।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিনিয়র সাংবাদিক  টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক  শাহনেওয়াজ রিটন।

অনুষ্ঠানে, কথা হয় মেয়র নাসিরের বর্ণাঢ্য রাজনীতি জীবনের স্মৃতি কথা ও নগর পিতার দায়িত্ববদ্ধতা এবং সফলতা নিয়ে।

করোনা ভাইরাসের প্রার্তুভাবের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মানুষের পাশে ছিলেন দাবি করে জনাব নাসির বলেন,চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়নের যে শপথ নিয়ে তিনি মেয়র হয়েছেন তা শতভাগ পুরন করার চেষ্টা করেছেন।

নগরীর বিলবোর্ড অপসারণ, রাস্তা মেরামত, গ্রিন সিটি নির্মাণে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বলে জানান তিনি।

নগরীর দীর্ঘদিনের অন্যতম প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে জলাবদ্ধতা নিরসনে দেশী বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তিদের সাথে সমন্বয় করেছেন।কিন্তু জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিসি)এর অসহযোগিতাকে দোষলেন তিনি। মেয়র নাসির বলেন, সিডিসি-এর বিভিন্ন সময়ের একক সিদ্ধান্ত ও সমন্বনয়হীতার কারণে জলাবদ্ধতা নিরসনে আমরা পুরোপুরি সক্ষম হতে পারিনি।

দলে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে দর্শকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন , দলে আদর্শগত ভ্রান্তির কারণে বিভক্তি বা কোন্দলের সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, কিছু দুষ্টলোক আর অনুপ্রবেশকারীরাই দলে ভাঙ্গন এবং কোন্দলের জন্য দায়ী।

দলের ভাঙন রোধে সমাধান কিভাবে করা যায় এমন প্রশ্নের জবাবে নিজের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা সর্বোচ্চ কেন্দ্রে সুপারিশ করতে পারি, বাকিটা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ দেখেন এবং সিদ্ধান্ত নেন।

এছাড়া ছাত্রলীগের অতীত ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে কথা বলেন, সাবেক এই ছাত্রনেতা।

দলীয় ও সিটি মেয়রের দায়িত্ব উভয়ে ভারসাম্য বাজায় রেখে চট্টগ্রামের উন্নয়ন করে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

চট্টগ্রাম তথা সারা বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের একমাত্র দাবিদার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শ নেন।

আগামীর দিনের চট্টগ্রামকে দেশের নাম্বার ওয়ান শহরে পরিনত করতে নগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং কর্মকর্তাদের আন্তরিক হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

ভবিষ্যতে নগরীর কান্ডারী যে-ই হোক না কেন শতভাগ সাহায্য এবং ইতিবাচক ভূমিকার পালন করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।