সাজা হলেও এখনই কারাগারে যাচ্ছেন না নাজিব

বাংলাদেশ মেইল ::

দুর্নীতির দায়ে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের জেল-জরিমানার সাজা হলেও এখনই তা কার্যকর হচ্ছে না। একটি আবেদনের ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত তার সাজা স্থগিত রেখেছেন বিচারক।.

মঙ্গলবার কুয়ালালামপুর হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ নাজলান ঘাজালি নাজিব রাজাকের দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার রায় দেন। রায়ে তাকে ১২ বছর কারাদণ্ড এবং চার কোটি ৯০ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়।
বিচারক অবশ্য জানিয়ে দিয়েছেন, একটা আবেদনের শুনানি এখনও বাকি আছে। সেটার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই শাস্তি কার্যকর হবে না। তাই ওয়ানএমডিবি কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত হলেও নাজিব আপাতত জেলের বাইরেই থাকবেন।

সাজাপ্রাপ্ত নাজিব রাজাক বলেছেন, ‘আমি এই রায় নিয়ে একেবারেই সন্তুষ্ট নই। কিন্তু আমাদের দেশের ব্যবস্থায় হাইকোর্ট প্রথম রায় দেয়। এটা একজন বিচারপতির রায়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করা যাবে এবং আমি তা করবো।’

বিচারক তার রায়ে বলেছেন, অভিযোগকারীরা জোরালোভাবে এটা প্রমাণ করতে পেরেছেন যে, নাজিব রাজাক এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তিনি দোষী।

বিচারক জানিয়েছেন, ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য নাজিবের ১২ বছর জেল এবং চার কোটি ৯০ লাখ ডলার জরিমানা দিতে হবে। এছাড়া বিশ্বাসভঙ্গ ও বেআইনিভাবে অর্থ পাচারের জন্য ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন তিনি। তবে সবকটি শাস্তি একসঙ্গেই চলবে। তাই নাজিবকে ১২ বছরই জেলে থাকতে হবে।

এর সপ্তাহখানেক আগে হাইকোর্ট নাজিবকে ৪০ কোটি ডলার বকেয়া কর পরিশোধের নির্দেশ দেয়। ২০১১ থেকে ১৭ পর্যন্ত আয়কর পেনাল্টিসহ পরিশোধ করতে হবে তাকে।

মঙ্গলবার নাজিবের ভক্তরা হাইকোর্টের বাইরে জড়ো হয়েছিলেন। তারা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘লং লিভ মাই বস’। রায় ঘোষণার পর তারা এ মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে আখ্যায়িত করেন।