রাতেই বর্জ্যমুক্ত চট্টগ্রাম নগরী, দাবি চসিকের

বাংলাদেশ মেইল ::

পবিত্র ঈদ-উল-আজহার উপলক্ষে জবাই করা পশুর বর্জ্য রাতের মধ্যেই অপসারণে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সফল হয়েছে দাবী সিটি মেয়রের । সফলতার সাথে নগরীকে পরিছন্ন রাখার কাজে নিয়োজিত পরিছন্নতা কর্মী ও সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারী কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি ।

সরেজমিনে দেখা যায় , নগরীর প্রধান সড়ক থেকে অলি গলিতে তেমন কোরবানির বর্জ্য দেখা যায়নি। তবে যারা দ্বিতীয় দিন কোরবানি দিচ্ছেন সেইসব বর্জ্য রোববার দুপুরের মধ্যেই অপসারণে ওয়ার্ড ভিত্তিক টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছে চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ।

কোরবানির দিন শতভাগ বর্জ্য অপসারণের জন্য বিকেল ৫ টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করলেও রাত ৯ টার মধ্যেই পুরো নগরীর কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চসিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন।

তিনি বলেন, ‘গতকাল কোরবানির দিন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নগরীর প্রধান সড়কে শতভাগ অপসারণ করা হয়েছে। অলিগলি থেকে বর্জ্য অপসারণ করতে আরও দু ঘণ্টা সময় লেগেছে। সব মিলিয়ে রাত ৯ টার মধ্যে মানে সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার মধ্যে শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় দিন যারা কোরবানি দিচ্ছেন সেই সব বর্জ্য অপসারণে ওয়ার্ড ভিত্তিক তদারকি টিম আছে। দুপুর ২টার মধ্যে সব বর্জ্য অপসারণ করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর বাইরেও কোথাও বর্জ্য থাকলে কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চসিক জানায়, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৪ হাজার শ্রমিক বর্জ্য অপসারণে কাজ করছেন। ব্যবহার করা হচ্ছে ৩৫০টি গাড়ি, পশু জবাইকৃত স্থানে ২০ টন ব্লিচিং পাউডার ছিটানো হয়েছে। এবার ৪টি জোনে ভাগ করে একইসঙ্গে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়।

বর্জ্য অপসারণের বিষয়টি তদারকি করছেন ৪১টি ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজাররা। তাদের কাজের সুবিধার্থে দেওয়া হয়েছে ওয়াকিটকি, গাড়ি, টমটম গাড়ি। করপোরেশনের পক্ষ থেকে বর্জ্য অপসারণে দামপাড়া চসিক কার্যালয়ে ১টি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। চসিকের প্রকৌশল বিভাগের যান্ত্রিক শাখা ও পরিবহন পুল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।