শেষ হল র‌্যাবের রিমান্ড
পুলিশ হেফাজতে ২৮ দিনের রিমান্ডে যাবে সাহেদ

বাংলাদেশ মেইল ::

অস্ত্র মামলায় র‌্যাব হেফাজতে দশ দিনের রিমান্ড শেষ হয়েছে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো. সাহেদের। এখন তিনি সাতক্ষীরা কারাগারে রয়েছেন। সেখান থেকে তাকে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম ও পূর্ব থানায় চারটি মামলায় ২৮ দিনের রিমান্ডে নেয়া হবে। তবে কবে নাগাদ পুলিশ তাকে রিমান্ডে নেবে এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি। ডিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, সুবিধাজনক সময়ে যথাযথ নিয়মে সাহেদকে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় আনা হবে।

বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার অস্ত্র আইনে মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড শেষে ভুয়া করোনা টেস্ট পরীক্ষার ঘটনায় সমালোচিত প্রতারক সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-৬ এর উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম দেবহাটা আমলি আদালতে তাকে হাজির করেন। এ সময় বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব কুমার রায় তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এখন তিনি সাতক্ষীরা কারাগারে আছেন। এসব তথ্য জানিয়েছেন সাতক্ষীরা আদালতের পরিদর্শক অমল কুমার রায়।

ঢাকায় পুলিশ হেফাজতে সাহেদের রিমান্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) উপ-কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) মো. ওয়ালিদ হোসেন  বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুবিধাজনক সময়ে তাকে নিয়ে আসবে। ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার নাবিদ কামাল শৈবাল  বলেন, তাকে কবে আনা হবে সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে শিগগিরই আনা হবে।

২৭ জুলাই সাতক্ষীরায় র‌্যাবের অস্ত্র মামলায় সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড দেয় আদালত। একই দিনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাহেদের ২৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে করোনার নমুনা সংগ্রহ করে মনগড়া প্রতিবেদন দেয়া, রোগীদের থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়াসহ নানা অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালে ৬ জুলাই অভিযান চালিয়ে সিলগালা করে দেয় র‌্যাব। ৭ জুলাই সাহেদকে প্রধান আসামি করে র‌্যাব উত্তরা পশ্চিম থানায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। একইদিন হাসপাতালটির মিরপুর শাখায়ও অভিযান চালিয়ে সিলগালা করা হয়।

১৩ জুলাই র‌্যাব মামলার তদন্তের দায়িত্ব চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। সেদিনই সাতক্ষীরার দেবহাটা থানায় অস্ত্র আইনে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়।