পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা,হুমকিতে বসতি
বাঁশখালীতে খাস জায়গা দখল করে দালান নির্মাণ

জোবাইর চৌধুরী, বাংলাদেশ মেইল :: 

চট্র্রগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চেচুরিয়া -পাইরাং সীমান্ত এলাকায় খাস জায়গা ও প্রাকৃতিক ছডা দখল করে পাকা ওয়াল দিয়ে দালান ঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার ফলে ছডার স্বাভাবিক পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির পানির স্রোতে বিগ্ন হওয়ায় ওই এলাকার বসতি হুমকি পডেছে। এঘটনায় সাধারন মানুষদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঙলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়,বাঁশখালীর চেচুরিয়া এলাকার প্রধান সডকে নির্মিত ব্রীজের কোলঘেষে ১শ হাত লম্বা পাকা ওয়াল ছডার উপর দিয়ে নির্মাণ করে ফেলেছে। ওয়ালের ভিতরে নির্মাণ হচ্ছে দালান ঘর।
স্থানীয়রা জানান, শীলকুপ ইউনিয়নের মনকিরচর গ্রামের মোঃ আব্বাসের পুত্র আফ্রিকা প্রবাসী মোঃ জসীম উদ্দিন গত কয়েকমাস যাবত সরকারি খাস জায়গা দখল করে প্রাকৃতিক পানি চলাচলের ছডার উপর পাকা ওয়াল ও দালান নির্মাণ করে।এসময় এলাকাবাসী বাধা প্রধান করলেও তিনি কর্ণপাত করেননি।পাশাপাশি এ খাস জায়গা ও ছডা দখলে কতিপয় সরকার দলীয় নেতার মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। তাছাডা সরকারি খাস জায়গা ও প্রাকৃতিক ছডা রক্ষানাবেক্ষন কতৃপক্ষ বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করছেন বলে জানিয়েছেন তারা।ছডার পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতার ফলে সডকের উভয় পাশে বসবাসকারী মানুষজন চরম ক্ষতির সন্মুখীন হবে।
এ ব্যাপারে বৈলছডি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কফিল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছডা দখল করে ওয়াল ও দালান নির্মাণের ফলে এলাকার বসতি হুমকিতে পডবে।তবে ওই এলাকাটা তার ইউনিয়নে নয় বলে দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি।বিষয়টি আমার জানা নেই।তবে যদি কেউ খাস জায়গা ও প্রাকৃতিক ছাডা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে থাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বলেন, খাস জায়গা ও ছডার উপর স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি এই প্রথম আপনার কাছ থেকে শুনেছি।তবে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলেও জানান।