প্রকাশ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের গ্রুপিং

চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহবায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু

বাংলাদেশ মেইল ::

শেখ রাসেলের জন্ম দিবসকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের দলীয় গ্রুপিং এবার প্রকাশ্যে এসেছে। দিনটি উদযাপনে পৃথক পৃথক  কর্মসূচি পালন করেছে মহিউদ্দিন বাচ্চু ও চার যুগ্ম আহবায়ক।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নগরের দারুল ফজল মার্কেট দলীয় কার্যালয়ে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে পৃথক কর্মসূচি পালন করে চার যুগ্ম আহবায়ক।

তারা হলেন, দেলোয়ার হোসেন খোকা, ফরিদ মাহমুদ, দিদারুল আলম দিদার ও মাহবুবুল হক সুমন।

আলাদা কর্মসূচি পালন করার কারণ হিসাবে তারা জানান, ২০১৩ সালে কমিটি গঠনের পর এক সঙ্গে সব অনুষ্ঠান আয়োজন ও কর্মসূচি গ্রহণ করে আসলেও গত এক বছর ধরে সংগঠনে স্বেচ্ছাচারিতা ও নিজের মতো করে কর্মসূচি পালন করছেন আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু। তাদের মতামতকে তোয়াক্কা না করে সংগঠন পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ও সন্ত্রাসীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছেন মহিউদ্দিন বাচ্চু। এ কারনে তারা আলাদা কর্মসূচি পালন করছেন।

মহানগর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ বলেন, ২০১৩ সালে কমিটি গঠনের পর সবাই এক সঙ্গে সব অনুষ্ঠান আয়োজন ও কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। কিন্তু গত একবছর ধরে আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু আমাদের পাশ কাটিয়ে একা কর্মসূচি নিচ্ছেন। সংগঠনে স্বেচ্ছাচারিতা ও নিজের মতো করে কর্মসূচি পালন করছেন তিনি। তাকে বারবার বলেছি, কিন্তু তিনি সংশোধন হননি। এ কারনে আমরা চার যুগ্ম-আহ্বায়ক আলাদা প্রোগ্রাম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

জানা যায়, চার যুগ্ম আহবায়ক দারুল ফজল মার্কেটে আলাদা কর্মসূচি পালন করার সময় মহিউদ্দিন বাচ্চুর অনুসারীরা এসে বাচ্চুর নামে স্লোগান দিতে থাকেন। এতে করে তাদের কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়।

তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করে মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। মহানগর যুবলীগের প্রোগ্রাম ছিল তাই সেখানে গিয়েছি। তারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে থাকলে সেটা তারা ভালো বলতে পারবেন। করোনার সময় তারা ঘর থেকে বের হননি। তারা যদি বের না হন তাহলে আমি তো বসে থাকবো না। আমি আমার সাধ্যমতো সংগঠনের জন্য কাজ করেছি। করোনায় অসহায় মানুষের পাশে থেকেছি।

প্রসঙ্গত, যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত মহিউদ্দিন বাচ্চু নগর যুবলীগের রাজনীতিতে অনেকটাই কোণঠাসা।