রিয়ালের কাছে হারের পর বার্সেলোনার কাঠগড়ায় ভিএআর

বাংলাদেশ মেইল ::

শনিবার মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোয় বার্সেলোনাকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ১-১ সমতায় প্রথমার্ধ শেষের পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আধিপত্য ছিল বার্সেলোনার। হঠাৎই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সিদ্ধান্তে। ৫৯ মিনিটে টনি ক্রুসের ডান প্রান্ত থেকে নেয়া ফ্রিকিকে হেড নেয়ার সময় সার্জিও রামোসের জার্সি টেনে ধরে ফেলে দেন বার্সার ফরাসি ডিফেন্ডার ক্লেমোঁ লংলে। ভিএআর দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সফল স্পটকিকে গোল করে এগিয়ে দেন রামোস। পরে আরো একটি গোল করেন লুকা মদ্রিচ। ম্যাচ শেষে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বার্সা কোচ রোনাল্ড কোম্যান।

ভিএআরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ দেখান বার্সা পরিচালকদের অন্যতম জাভি ভিয়াহোয়ানা। ভিএআরের সিদ্ধান্ত মানতে পারেননি সার্জিও বুস্কেটসও।

লুইস এনরিকে, এরনেস্তো ভালভার্দে ও কিকে সেতিয়েনের মতো বার্সার কোচ হিসেবে রোনাল্ড কোম্যানের এল ক্লাসিকো অভিষেকও হলো হার দিয়ে। ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দেয়া পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি নিজের ক্ষোভ দেখান এই ডাচ কোচ। তিনি বলেন, ‘আমার মতে এটা পেনাল্টি নয়। আমার মনে হয় ভিএআর শুধু বার্সেলোনার জন্যই। আমরা পাঁচ ম্যাচ খেলেছি। আমরা তো এর সুফল পেলাম না। গেতাফের বিপক্ষে ম্যাচে মারাত্মক ফাউলের শিকার হয়েও ভিএআর দেখে লাল কার্ড দেখানোর প্রয়োজন মনে করেননি রেফারি। আমি রেফারিদের বলেছি, কেউ যেন আমাকে জানায় কীভাবে স্পেনে ভিআরের ব্যবহার করা হয়।’

‘আমি লংলের সঙ্গে কথা বলেনি। কিন্তু সবকিছুই দেখেছি। লংলেকে আগে ধাক্কা মেরেছিল রামোস। জার্সি ধরে টানলে তো আপনার সামনের দিকে পড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু পড়েছে পেছনের দিকে। এটা স্বাভাবিক যে রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়রা পেনাল্টির জন্য রেফারিকে বারবার বলছিল। আমি এটা নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। ভিএআরের সিদ্ধান্তটাই ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দিয়েছে।’