ব্যবস্থাপক ও নার্স আটক,সিটি হেলথ ক্লিনিক সিলগালা

বাংলাদেশ মেইল ::

অনুমোদন ও  পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই চিকিৎসা চলে আসছিলো চকবাজার এলাকার সিটি হেলথ ক্লিনিক। চিকিৎসক অনুপস্থিত, নার্স ডিপ্লোমাহীন
আল-আমিন ডায়াগনস্টিকেও পরীক্ষা বন্ধ
স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমোদনই নেই।  তবুও দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে নগরের বেসরকারি হাসপাতাল সিটি হেলথ ক্লিনিক। শুধু কি তাই, নেই ডিপ্লোমাধারী কোনো নার্সও। অকেজো মেশিন আর নোংরা পরিবেশের মধ্যেই পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলে। মজুদ আছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও। এতসব অভিযোগের প্রমাণ মেলায় হাসপাতালটি সিলগালা করে দিয়েছে প্রশাসন। তবে হাসপাতালে থাকা রোগীদেরকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেয়া হয়।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে জেলা সিভিল সার্জন ডা সেখ ফজলে রাব্বির নির্দেশে বন্ধ করা হয় নগরের চকবাজার থানধীন চট্টেশ্বরী রোডের সিটি হেলথ ক্লিনিকটি। একই সাথে ক্লিনিকের দুই কর্মকর্তাকে আটকও করা হয়।
এর আগে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এ.কে খান এলাকার আরেকটি বেসরকারি হাসপাতাল আল আমিন হাসপাতালেও অভিযান চালায় সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে একটি টিম। যদিও হাসপাতালটির কাগজপত্র ঠিক ছিল, তবে এক্সরে পরীক্ষার রুমে অব্যবস্থাপনা ও ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি অকেজো হওয়ায় পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানানো হয়, সারাদেশে অনুমোদন ছাড়া চলা সব হাসপাতাল বন্ধ করে দিতে গত সোমবার দেশের সব সিভিল সার্জনের কাছে নির্দেশ গেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে।
গোলজার মোড় এলাকার সিটি হেলথ ক্লিনিকে সম্প্রতি এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের ব্যবস্থাপক ও এক নার্সকে আটক করেছে পুলিশ।