চট্টগ্রামে বিক্ষোভ সমাবেশ বক্তারা
বিজয়ের মাসে ভাস্কর্য ভাঙ্গা রাষ্টদ্রোহিতার অপরাধ

  1. বাংলাদেশ মেইল

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা
সংসদ ও সন্তান কমান্ডের বিশাল মশাল মিছিল ও সমাবেশ:

কুষ্টিয়ায় রাতের আঁধারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙ্গা ও অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে আজ সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও বিশাল মশাল মিছিল করেছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ড ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি। সমাবেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা।
সমাবেশ শেষে প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদের নেতৃত্বে একটি বিশাল মশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জামালখান, চেরাগী পাহাড় ও মোমিন রোড হয়ে আন্দরকিল্লা গিয়ে শেষ হয়। ।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদের সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ সরওয়ার আলম চৌধুরী মনি ও জেলা কমিটির সদস্য সচিব কামরুল হুদা পাভেলের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডেপুটি কমান্ডার শহিদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, সহকারী কমান্ডার সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, সহকারী কমান্ডার খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), সহকারী কমান্ডার এফ.এফ আকবর খান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্যতম স্বাক্ষী বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল আবছার, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রাতিষ্টানিক কমান্ডের সাবেক কমান্ডার ফজল আহমদ, মোঃ আবছার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক নওশাদ মাহমুদ রানা, চবি শিক্ষক অধ্যাপক ড. শ্যামল রঞ্জন চক্রবর্তী, অধ্যাপক ড. রেজাউর রহমান, অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক রাসেল, অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মাসুদ, জহুর আহমদ চৌধুরী ফাউন্ডেশনের পরিচালক শরফুদ্দিন চৌধুরী রাজু, খুলশী থানা কমান্ডার মোঃ ইউসুফ, সদরঘাট কমান্ডার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পতেঙ্গা থানা কমান্ডার মো. জাকির হোসেন, কোতোয়ালি কমান্ডার সৌরিন্দ্র নাথ সেন, পাঁচলাইশ কমান্ডার আহমদ মিয়া, হালিশহর কমান্ডার মোঃ ইউনুছ, ডবলমুবিং কমান্ডার দোস্ত মোহাম্মদ, আকবর শাহ কমান্ডার মোঃ সেলিম উল্লাহ, চান্দগাঁও কমান্ডার মোঃ কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, বন্দর কমান্ডার মোঃ কামরুল আলম জতু, ইপিজেড কমান্ডার আবুল কালাম, পাহাড়তলী কমান্ডার হাজী জাফর আহমদ, বাকলিয়া কমান্ডার আলী হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মোঃ নূর উদ্দিন, মোঃ ইয়াকুব হোসেন, অঞ্জন কুমার সেন, আবদুল মান্নান খান, ফারুক আহমদ, কল্যাণ কুমার সেন, ছৈয়দ আহমদ, শহীদুল ইসলাম দুলু, ময়নুল হোসেন, আনোয়ার মিয়া, রমজান মিয়া, আবুল কালাম, রফিকুল ইসলাম মানিক, লিয়াকত হোসেন, প্রশান্ত সিংহ, জাগির আহমদ, আলাউদ্দিন, মঞ্জু মিয়া, মোঃ সবুর, খাইরুল ইসলাম, মোঃ ইসমাইল, মোঃ জাকারিয়া, আবদুল লতিফ, সৈয়দ আবদুল গনি, শম্ভু দাশ, মোঃ আবদুস সবুর, আশীষ গুপ্ত, প্রনাল চৌধুরী, গোলাম নবী, শফিক আহমদ মুন্সী, নুরুল আজিম, মোঃ জাকারিয়া, আবদুর রব কায়েস, শামসুল হুদা, এডভোকেট জহির হোসেন, দিলীপ দাশ, মোঃ আবদুল আজিম, সৈয়দ আবদুল গণি, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহবায়ক সাহেদ মুরাদ সাকু, সদস্য সচিব কাজী মুহাম্মদ রাজীশ ইমরান, সদস্য ইব্রাহিম বাদশা, বিবি গুল জান্নাত, হাসান মোঃ আবু হান্নান, রিপন চৌধুরী, শাহজাহান সেলিম, মিস লিমা, এস ইউ জুবায়ের, মোসলেম উদ্দিন কায়সার, মোশাররফ হোসেন, আবদুল কাদের সবুজ, ফিরোজ আল মাসুদ, মোশাররফ হোসেন, ফয়সাল জামিল চৌধুরী ছাকি, রাজিব সিকদার জয়, জয়নুদ্দিন জয়, আরাফাতুল মান্নান ঝিনুক, তফাজ্জল ইলাহি, আবদুল কাদের রিমন,, মোঃ তুহিন, ইকবাল হোসেন চৌধুরী, আরাফাত, মোঃ আলমগীর, আবদুল মালেক প্রমুখ।