নির্বাচনে কারচুপি হলে জনগণকে সাথে নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে দূর্বার আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে-রাশেদ খান

বাংলাদেশ মেইল———

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান বলেন,বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সরকার জনগণকে ভয় পায়।
তাই তারা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই না। নিজেদের জনপ্রিয়তা যাছাই করতে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়ে দেখুন, জনগণ কার পক্ষে রায় দেয়। দেখবেন মানুষ
বিএনপিকে ভালোবাসে। জনগণই বিএনপির ভরসা।

বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারী) বিকাল ৩টায় নসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগর কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি
একথা বলেন।
তিনি বলেন, অতীতের নির্বাচন গুলোতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ
নির্বাচন দিতে হবে।
নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল কারচুপি করা হচ্ছে। জনগণ যাতে নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেব্যাপারে ইসিকে ভূমিকা রাখতে হবে।

অন্যথায় ইসিকে একদিন জনগণের কাটগড়ায় দাঁড়াতে হবে। নির্বাচনে কোন ধরনের কারচুপি হলে জনগণকে সাথে নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে দূর্বার আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।

অন্যদিকে,চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু
বলেন, একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুসংহত করার একমাত্র অবলম্বন হলো জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন, যা আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে করে থাকি।

জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আজ চরম বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে। হামলা-মামলা, নির্যাতন-নিপিড়ন উপেক্ষা করে, জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিএনপি রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জনগণকে সাথে নিয়ে আমাদের সংগ্রাম চালিয়ে যাবো, বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সহ-সভাপতি
আসাদুজ্জামান দিদার, শহীদুল্লাহ বাহার, মোঃ ইউসুফ, খায়রুল আলম দিপু,সেলিম রেজা, মোঃ আসলাম, হারুন আল রশিদ, মামুনুর রহমান, হারুনুর রশিদ,সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলী মুর্তজা
খান, যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, সিরাজুল ইসলাম ভুইয়া, জসিম উদ্দিন রকি, আবু বক্কর রাজু, গোলাম সরোয়ার, ওয়াকিল হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য হাজী মোঃ আলম, আব্দুল হাই, আকতার হোসেন, মনির শাহ, সাজ্জাদ
হোসেন, দিদার হোসেন, আব্দুল মান্নান আলমগীর, শাহদাত হোসেন সোহাগ, টিপু সুলতান, জাকির হোসেন,মিজানুর রহমান বাবুল, এমদাদুল হক স্বপন, মোকলেছুর রহমান, আব্দুল মান্নান, মোঃ হাসান, এসকান্দর মির্জা, মফিজ উদ্দিন সুমন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক খান, মোঃ লিটন, মঈনউদ্দীন বারেক, নাছির উদ্দীন, মিজানুর রহমান সাইফুল, সাইফুল আলম দিপু, রবিউল ইসলাম, মোঃসুমন, শাহাজাহান বাদশা, সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য আকবর হোসেন মানিক, লুতফর রহমান
জুয়েল, নুর আলম, কামরুল হাসান, আবুল হাশেম আজাদ, জাফর হোসেন রনি, জাহাঙ্গীর হোসেন, মারুফ হোসেন, সহ-সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জহির ইসলাম,সালাউদ্দিন মাহমুদ নিজাম, খোরশেদ আলম, বারেক হোসেন, জাকির হোসেন মিশু,
জাহেদুল আলম,সদস্য মেহেদী হাসান,জাবেদ হোসেন সহ প্রমুখ।