সংঘাত এড়াতে পুলিশ মোতায়েন নগরীর পাঠানটুলিতে

বাংলাদেশ মেইল

আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে গত মঙ্গলবার নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন পাঠানটুলি এলাকায়  এই প্রথমবার আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তাই পুনরায় সংঘাত এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে থেকে পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে।

মোগলটুলি এলাকার  স্থায়ী বাসিন্দা  বলেন, আজগর আলী বাবুল আমাদের এলাকার পরিচিত মানুষ। রাতের ঘটনার পর থেকে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এখানে। পুলিশের টহল রয়েছে।

ডাবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সদীপ কুমার দাশ বাংলাদেশ মেইলকে বলেন, গত কালের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তাই পুরনায় যাতে কোন পক্ষ সংঘাতে জড়াতে না পারে সেদিক বিবেচনা করে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার ভোরে ‘বিদ্রোহী’ কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আবদুল কাদেরকে প্রধান আসামি করে মোট ১৩ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করে মামলা দায়ের হয় ডবলমুরিং থানায়।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) রাতে ২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ডের মগপুকুর পাড় এলাকায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাহাদুর ও ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সদ্য সাবেক কাউন্সিলর মো. আবদুল কাদেরের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ দুইজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে মো. আজগর আলী বাবুল (৫৫) নামে একজন মারা যান। নিহত আজগর আলী বাবুল আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাহাদুরের সমর্থক।

নিহত আজগর আলী বাবুলের পরিবারে এখন চলছে শোকের মাতম। তার স্ত্রী-সন্তান সহ পরিবারের লোকজন এ ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না। তাদের সান্ত্বনা দিতে এসেছেন আত্মীয়-স্বজনরা।