সংঘর্ষে আহত ৭ জন
কাজির দেউড়ি এলাকায় মুখোমুখি বিএনপি আওয়ামী লীগের কর্মিরা

বাংলাদেশ মেইল ::

চট্টগ্রাম নগর বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে ।

বুধবার (২০ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে নগরীর কোতোয়ালি থানার নূর আহমদ সড়কে এসব ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগ নেতার দাবি নাসিমন ভবনের এর অদূরে রাবেয়া রহমান গলির সামনে মেয়র প্রার্থী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমনের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

কার্যালয় ভাংচুরের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এসময় বিএনপি কার্যালয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এসময় দলীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন মহানগর বিএনপির আহবায়ক ও দলের মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত হোসেন। দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ানও কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুরের খবর পেয়ে নগরীর জামালখান ও নন্দনকানন এলাকা থেকে কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবালের অনুসারীরা নুর আহমদ সড়কে যান। তারা নাসিমন ভবনের সামনের সড়কে বিক্ষোভ মিছিলের পাশাপাশি মূল সড়ক অবরোধ করেন। এসময় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এরপর নাসমিন ভবনের ভেতরে থাকা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে শৈবালের অনুসারী ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীদের পাল্টাপাল্টি ইট-পাটকেল নিক্ষেপ হয়। একপর্যায়ে সেখানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। রাত ১১টার দিকে পুলিশ ও র‌্যাবের টিম যৌথভাবে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন হামলার জন্য নাসিমন ভবনে থাকা বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন। এছাড়া হামলায় তার চার কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।

বিএনপির মেয়র প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের কেউ তাদের নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করেনি। অথচ ছাত্রলীগের ছেলেরা এসে আমাদের কার্যালয়ে ইট-পাটকেল ছুঁড়েছে। দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানের গাড়ি ভেঙেছে।’

জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর নিয়ে সমস্যা হয়েছে। সেখানে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। পরে আমরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি।’

বিএনপির কার্যালয়ের সামনে রাত ১২ টা পর্যন্ত ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীদের অবস্থান নিতে দেখা যায়।