ভালবাসা দিবসে মানবিক পরিবারের ব্যাতিক্রমধর্মী পথচলা

রানা আবির নাহা–

বাংলাদেশ মেইলঃঃ

একদিকে পহেলা ফাল্গুন অন্যদিকে ভালবাসা দিবস। এই দুই মিলিয়ে মানুষ মেতেছে তার পরিবার ও প্রিয়জনদের নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগিতে।
সবাই যখন এই দিনটি তাদের প্রিয় জনদের সাথে উদযাপন করতে ব্যাস্ত তখন মানবিক পরিবারের সদস্যরা ভিন্নভাবে উদযাপন করল তাদের পোহেলা ফাল্গুন এবং ভালবাসা দিবস।

মানবিক পরিবারের সদস্যরা এই দিবসটি এমন লোকদের সাথে উদযাপন করেছে যাঁরা সাধারণত তাদের প্রিয়জনদের সাথে এটি উদযাপন করার সুযোগ পায় না।

আমরা দেখেছি বন্ধু, প্রেমিক এবং এমনকি বাচ্চারা তাদের প্রিয়জনের জন্য ফুল কিনে, একে অপরকে উপহার দেয়।
একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।সবাই যখন দিনটি উদযাপন করায় ব্যস্ত তখন আমাদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যগণ, গণপরিবহন কর্মী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষগুলো অনুষ্ঠান স্থল, ফুলের দোকানের আশপাশে বা রাস্তায় তাদের কাজে ব্যস্ত থাকেন।
তাই মানবিক পরিবারের সদস্যরা তাদের এই ভালবাসা ও পহেলা ফাল্গুনের দিনটি উদযাপন করলো পুলিশ সদস্য, গণপরিবহন কর্মী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষগুলোদের নিয়ে।

মানবিক পরিবারের সদস্য নিলুফা ইয়াসমিন জয়িতা বলেন,আমরা আমাদের প্রিয়জনদের জন্য একটা গোলাপ ও এক বোতল পানির ব্যবস্থা করেছি। আমরা আমাদের ভালবাসা ও ভাললাগা তাঁদের সাথে ভাগাভাগী করেছি। তাঁদের কাছ থেকে আমরা যে হাসি, ভালবাসা এবং কৃতজ্ঞতা পেয়েছি তা কোন শব্দ বা বাক্য দিয়ে বর্ননা করা সম্ভব না।
আমাদের এই ক্ষুদ্র আয়োজনে সহায়তা করার জন্য যাঁরা আমাদের কে সার্বিক ভাবে সহায়তা করেছেন তাঁদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

মানবিকের নিবেদিত কর্মী এস এম শওকত বলেন,আমরা যাদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানালাম,তাদের ও পরিবার আছে,তাদের ও ইচ্ছে আছে পরিবার নিয়ে এই আনন্দঘন উৎসব উপভোগ করতে।  কিন্তু এই পুলিশ সদস্যরা ও গনপরিবহন কর্মীরা তাদের আনন্দকে বিসর্জন দিয়ে সেবা করে করে যাচ্ছে জনগনের। তাই মানবিকের এবারের উদ্যোগ ছিল ভিন্নধর্মী।

অন্যদিকে, আরেক মানবিক সদস্য এস, এম শাবাব ইলহাম জারিফ বলেন, আমরা চাই সকল মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে, এই বিশ্ব আনন্দ, ভালবাসা ও শান্তিতে ভরে থাক এইটাই হোক আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। সকলের মঙ্গল হোক।