মিয়ানমারের রাস্তায় ট্যাঙ্ক, ইন্টারনেট বন্ধ

বাংলাদেশ মেইলঃঃ

মোড়ে মোড়ে সেনাদের টহল। নাগরিকদের ভয় দেখাতে সাঁজোয়া যান ও ট্যাংক বহর ছুটছে এদিক-সেদিক। ইন্টারনেটও পুরোপুরি বন্ধ। সেনাবিরোধী আন্দোলনের নবম দিনে মিয়ানমারে এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে।

দেশটির উত্তরাঞ্চলের কাচিন প্রদেশের একটি বিক্ষোভ মিছিলে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি ছুড়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। তবে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বলছেন, সেনাবাহিনী মানুষের বিরুদ্ধে যেন ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ করেছে। সেনাবাহিনী ক্ষমতা নেয়ার পর মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ প্রায় প্রতিদিন মিছিল করছে।

বিক্ষোভকারীরা ক্ষমতাচ্যুত ও গৃহবন্দী নির্বাচিত নেতা অং সান সু চি-র মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনর্বহালের দাবি করছেন।

মিয়ানমারের নির্বাচনে কারচুপির প্রমাণবিহীন দাবি করে সামরিক বাহিনী সম্প্রতি ক্ষমতা দখল করে এবং দেশে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করে। সু চি-সহ বেসামরিক রাজনৈতিক নেতাদের বন্দী করা হয়।

সামরিক বাহিনীর প্রধান মিন অং লাইং এখন দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি।

অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস নামের একটি পর্যবেক্ষক গোষ্ঠীর ভাষ্য, মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০ ব্যক্তিকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশই রাত্রিকালীন অভিযানে গ্রেপ্তার হন।

গতকাল রবিবার দেশটির সেনাবাহিনী জানায়, সাতজন বিরোধী প্রচারকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তবে তারা খ্যাতিমান বলে জানিয়েছে বিবিসি।