লাকসামে চট্টলা এক্সপ্রেসের ছাদ থেকে অজ্ঞাত কিশোরের লাশ উদ্ধার

বাংলাদেশ মেইলঃঃ

চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটের ট্রেন চট্টলা এক্সপ্রেসের ছাদ থেকে অজ্ঞাত কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। ওই কিশোরের আনুমানিক বয়স ১২ বছর।
বুধবার (১০ মার্চ) বিকেলে লাকসাম স্টেশন থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এসময় তার বাম চোখে জখমের চিহ্ন দেখা যায়। অন্যদিকে লাকসাম স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছানোর পর লাশটি নামানোর জন্য পাওয়া যায়নি স্টেশন মাস্টারকে। এতে করে ওই মাস্টারকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ট্রেনে চড়তে গিয়ে কোন শক্ত বস্তুর সাথে আঘাতে মৃত্যু হয়েছে ওই কিশোরের। অন্যদিকে অব্যাহতি পাওয়া স্টেশন মাস্টার হলেন সাহাবউদ্দিন।

লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে লাকসাম রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন। তিনি  বলেন, ‘ঢাকা থেকে ছুটে আসা চট্টলা এক্সপ্রেসে এক ভবঘুরে কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ট্রেনের ছাদে চড়তে গিয়ে কোনো শক্ত বস্তুর সাথে আঘাত লেগেছে। রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছি আমরা।’

এদিকে রেলওয়ে সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পথে লালমাই এলাকায় ট্রেনটি পৌঁছালে ছাদে লাশ থাকার বিষয়টি বুঝতে পারে ট্রেনের দায়িত্বরতরা। পরে ট্রেনটি লাকসাম পৌঁছালে রেলওয়ে পুলিশকে খবর দেয় রেল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ঘটনা স্থলে পুলিশ উপস্থিত হলেও লাকসাম মাস্টার সেখানে ছিলেন না। প্রায় ১ ঘন্টা পরে স্টেশন মাস্টার সাহাবউদ্দিন স্টেশনে আসলে লাশটি রেলওয়ে পুলিশকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

স্টেশন মাস্টার সাহাবউদ্দিনকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা স্নেহাশীষ দাশ গুপ্ত  বলেন, ‘লাকসাম স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছালে লাশ উদ্ধারের সময় স্টেশন মাস্টারকে পাওয়া যায়নি। ফলে লাশটি উদ্ধারে দেরি হয়ে যায়। তাই ওই মাস্টারকে সাময়িক অব্যাহতি (পুট অফ) দেওয়া হয়েছে। ওই স্টেশন মাস্টারকে রবিবারের মধ্যে দপ্তরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এর আগ পর্যন্ত তাকে ডিউটি থেকে অফ রাখা হয়েছে।’