মারকাজুল কোরআন একাডেমী
শিশু নির্যাতনকারী শিক্ষক আটক, অভিভাবকের অনুরোধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যায়নি

বাংলাদেশ মেইল ::

হাটহাজারী পৌরসদর কামালপাড়ার মারকাজুল কোরআন একাডেমীতে শিক্ষক কর্তৃক ছোট্ট মাসুম ছাত্রটিকে মারধরের ভিডিওটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর মেসেঞ্জারে তথ্য পেয়েই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন রাত ১ টায় হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন।

নির্মম নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে চকোলেটসহ শিশু খাবার উপহার দিলেন তিনি। নির্যাতনকারী সেই শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।

তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে গেলে ছাত্রের বাবা মা বাধা দেন, এসে কান্নাকাটি করেন এবং শিক্ষককে ক্ষমা করে দিয়েছেন বলে জানান। তারা কিছুতেই মামলা করবেন না এবং আইনগত ব্যবস্থা না নিতে অনুরোধ করেন প্রশাসনকে।

এবিষয়ে ইউএনও রুহুল আমিন বলেন-
রাত ১২.৪৫ মিনিটে আমাকে ফেইসবুক মেসেঞ্জারে একজন ভাই ছাত্র প্রহারের বিষয়টা জানান।ইতিমধ্যে বিষয়টা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।আমি তাৎক্ষণিক হাটহাজারি থানার একটা টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে চকলেট নিয়ে যাই।বাচ্চাটির সাথে কথা বলি এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করি।তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব এমন সময় ছাত্রের বাবা মা এসে কান্নাকাটি করেন এবং শিক্ষককে ক্ষমা করে দিয়েছেন বলে জানান।তারা কিছুতেই মামলা করবেন না এবং আমাদেরকেও আইনগত ব্যবস্থা না নিতে অনুরোধ করেন।তাদেরকে অনেক বুঝানো সত্ত্বেও তারা লিখিতভাবে আমাদের অনুরোধ করেন আইনী ব্যবস্থা না নিতে।রাত ২ টা পর্যন্ত অভিভাবকেরা আমার কার্যালয়ে অবস্থান করেন যেন আমি আইনী ব্যবস্থা না নিই।