ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের নিরাপত্তা অফিস ও প্রবেশ পথের বিভিন্ন অংশে ভাংচুরের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ

বাংলাদেশ মেইলঃঃ

 

ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের নিরাপত্তা অফিস ও মন্দিরের প্রধান প্রবেশ পথের বিভিন্ন অংশে ভাংচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন),বাংলাদেশ এর জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ই মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এর প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন – চট্টগ্রামের সনাতনী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দির। শুধু পূজা অর্চনা নয়, বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে অবদান রেখে যাচ্ছে ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দির। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, মন্দিরের আশ্রমবাসী ভক্তদের উচ্ছেদ ও মন্দিরের সাধুনিবাস থেকে শুরু করে আশ্রমের বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করে বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের জন্য তিনকড়ি চক্রবর্তীসহ কিছু ভূমিদস্যু দীর্ঘদিন ধরে অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল। প্রবর্তক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীযুক্ত মতিলাল রায় সনাতন ধর্ম প্রতিষ্ঠা ও প্রচারের জন্য এ সংঘ প্রতিষ্ঠা করলেও কালক্রমে কিছু ভূমিদস্যু এ সম্পত্তির প্রচুর পরিমাণ অংশ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেয়। অপরদিকে মন্দিরে অবস্থানকারী আবাসিক সাধু সন্ন্যাসীদের স্বার্থ সুরক্ষায় ও মন্দিরের উন্নয়নের জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এমত পরিস্থিতিতে সাধু সন্ন্যাসীরা মন্দিরের উন্নয়নের ন্যায্য দাবি উপস্থাপন করলে তিনকড়ি চক্রবর্তীসহ কিছু ব্যক্তি রবিবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে কিছু সন্ত্রাসী ও বহিরাগতদের নিয়ে মন্দিরের বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে দেয়ার এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটায়। তারা আরও হুমকী প্রদান করেন যে, অবিলম্বে মন্দির উচ্ছেদ করে সাধু সন্ন্যাসীদের প্রবর্তক মন্দির থেকে বিতাড়িত করে জায়গাটা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে দেবে। এ ঘটনাটি সর্বস্তরের সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় অনুভুতিতে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তাই আমরা সনাতনী সমাজ ও অসাম্প্রদায়িক সুশীল সমাজের ব্যক্তিদের সহমর্মিতা কামনা করছি। বিবৃতি দাতারা হলেন, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশ এর জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে সাধারণ সম্পাদক শ্রীপাদ চারুচন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির পক্ষে শ্রীপাদ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী।