লন্কানদের হোয়াইটওয়াশের ম্যাচে যত রেকর্ড

বাংলাদেশ মেইল ::

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল শ্রীলঙ্কা (২৭৪/৬)। দারুণ ছন্দে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৭৫ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে যায় ৯ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখে। ওয়ানডেতে প্রথমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ধবলধোলাইয়ের তেতো স্বাদ পেল শ্রীলঙ্কা। রোববার রাতে লঙ্কানদের হোয়াইটওয়াশের ম্যাচে হয়েছে একাধিক রেকর্ড।

অ্যান্টিগায় টসে হেরে ব্যাট করতে নামা শ্রীলঙ্কা লড়াকু সংগ্রহ পায় ভানিদু হাসারাঙ্গার রেকর্ড গড়া ৮০ রানে। আটে নেমে ৬০ বলে অপরাজিত ৮০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। লঙ্কানদের হয়ে আট বা এর নিচে ব্যাটিংয়ে নেমে যৌথভাবে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ২০১৪ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে অপরাজিত ৮০ রানের ইনিংস খেলেন থিসারা পেরেরা। এই লঙ্কান অলরাউন্ডারের ৮০ রানের ইনিংসেই জয় হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের।

লঙ্কানরা হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারেনি শাই হোপ, ড্যারেন ব্র্যাভো ও কাইরন পোলার্ডের ব্যাটিং নৈপুণ্যে। ওপেনার শাই হোপ করেছেন ৬২ রান। আগের ৫ ইনিংস-৮৪, ১১০, ৭২, ৫১, ১১৫। টানা ৬ ইনিংসে পঞ্চাশ ছুঁয়ে ক্যারিবিয়ান রেকর্ডে হোপ নাম লিখিয়েছেন গর্ডন গ্রিনিজ ও ক্রিস গেইলের পাশে। সর্বকালের সেরা ওপেনারদের একজন গ্রিনিজ এই কীর্তি গড়েছিলেন ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বর থেকে পরের বছরের মে মাসের মধ্যে। গেইলের সেই ধারা ছিল ২০১৮ সালের জুলাই থেকে পরের বছরের মে পর্যন্ত।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ৩ জন ছাড়া টানা ৬ ইনিংসে ফিফটি ছোঁয়ার স্বাদ পেয়েছেন আরও ৬ জন- নিউজিল্যান্ডের অ্যান্ড্রু জোন্স, কেন উইলিয়ামসন ও রস টেলর, পাকিস্তানের মোহাম্মদ ইউসুফ, অস্ট্রেলিয়ার মার্ক ওয়াহ ও আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং। তাদের সবার থেকে বেশ কিছুটা এগিয়ে বিশ্বরেকর্ড মিয়াঁদাদের। ১৯৮৭ সালের মার্চ থেকে অক্টোবরের মধ্যে টানা ৯ ইনিংসে পঞ্চাশ ছাড়ানোর স্বাদ পান পাকিস্তানের এই কিংবদন্তি। এরপর টানা ৮ বা ৭ ইনিংসে পঞ্চাশের দেখা পাননি আর কোনো ব্যাটসম্যান। হোপের সামনে এবার সেই সুযোগ।

হাসারাঙ্গা ও শাই হোপের কীর্তি গড়ার দিনে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ড্যারেন ব্র্যাভো। এই মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান তুলে নেন ওয়ানডেতে চতুর্থ সেঞ্চুরি (১৩২ বলে ১০২ রান)। এবারের আগে সবশেষটি ছিল সেই ২০১৬ সালের জুনে! এছাড়া ৪২ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন পোলার্ড।