রোহিঙ্গাদের বসতির জন্য ধ্বংস হয়েছে ৬ হাজার ১৬৩ একর বন

বাংলাদেশ মেইলঃঃ

দেশের বৃহৎ অংশ পাহাড়সহ বন উজাড় করা হয়েছে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বসতির জন্য। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেখা যায় উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের বসতির জন্য এরইমধ্যে ধ্বংস হয়েছে ৬ হাজার ১৬৩ একর বন। যা টাকার পরিমানে ১ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। হুমকির মুখে পড়েছে সেখানকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র। তবে এরমধ্যে সুখবর হলো ২০২৫ সালের মধ্যে ২৪ শতাংশ বনভূমি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। এছাড়াও সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম এবং জনগণের অংশগ্রহণে বর্তমানে দেশের বৃক্ষ আচছাদিত ভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

আজ রবিবার আন্তর্জাতিক বন দিবস। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০১২ সাল থেকে বন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে প্রতি বছরের ২১ মার্চ দিবস পালন করা হয়। এবারের বন দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘বন পুনরুদ্ধার উত্তরণ ও কল্যাণের পথ’।  স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু পরিবেশ রক্ষায় ও

বৃক্ষরোপণের বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করেছেন। দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণ, উপকূলে বনায়ন, পরিবেশ দূষণমুক্ত, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, হাওর-বাওর, নদ-নদী ও জলাভূমি সংরক্ষণে ন্যাশনাল হার্বেরিয়াম প্রতিষ্ঠাসহ প্রকৃতি ও মানুষের কল্যাণে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগী কর্মকা- প্রশংসার দাবিদার। বঙ্গবন্ধুর এসকল উদ্যোগ স্মরণীয় করে রাখতে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ২০২০ সালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জনগণের মাঝে বিনামূল্যে ১ কোটি চারা বিতরণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে সরকার দেশে বনাঞ্চল সংরক্ষণ এবং বনায়ন কার্যক্রম জোরদার করেছে। জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে টেকসই বন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ ও বনের প্রতিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। যা এবছরও চলমান রয়েছে।