পতেঙ্গা রিং রোড ছোঁবে সীতাকুণ্ড

বাংলাদেশ মেইলঃঃ

চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড (পতেঙ্গা রিং রোড) সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। বঙ্গবন্ধু টানেল এবং বে-টার্মিনাল চালু হওয়ার পর এই অঞ্চলে যান চলাচল ৬০-৭০ শতাংশ বাড়বে। তাই এখন থেকে এসব যান চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া দরকার বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বঙ্গবন্ধু টানেল এবং বে-টার্মিনালের কথা মাথায় রেখে সিটি আউটার রিং রোড বাঁশবাড়িয়া পর্যন্ত সিডিএ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয় বলে জানান সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস।  সিডিএ সূত্রে জানা যায়, সিটি আউটার রিং রোড কর্ণফুলী টানেলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কারণে দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বাঁশখালী, মহেশখালী, কক্সবাজার থেকে বন্দরে সহজে পণ্য পরিবহন করা যাবে। রিং রোডের কাজ শতভাগ শেষ হলে চট্টগ্রাম বন্দর, বিমানবন্দরগামী যানবাহন এ রোড দিয়ে চলাচল করতে পারবে। এছাড়া, মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত একই মহাসড়কের আওতায় চলে আসবে।

সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শাম্ধসঢ়;স বলেন, চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোডের কাজ এখন শেষের পথে। এরমধ্যে রিং রোডের সাথে টানেল এবং বে-টার্মিন্যাল যুক্ত হয়েছে। ঢাকামুখী দক্ষিণ চট্টগ্রামের সব যানবাহন বাইপাস সড়ক হয়ে টোল রোড ব্যবহার করে ঢাকায় যাচ্ছে। আগামী বছর দু’য়েকের মধ্যে যখন টানেল চালু হবে ৬০-৭০ শতাংশ যানবাহনের চাপ বাড়বে। এসব গাড়ি যাতায়াতের জন্য ব্যবস্থাপনা এখন নেই।  তিনি আরো বলেন, এখন যেহেতু মিরসরাই এলাকায় ইকোনোমিক জোন হচ্ছে। এই ইকোনোমিক জোনের সাথে ঢাকা-চট্টগ্রামের বিকল্প সড়ক হিসেবে রিং রোডের সাথে একটি সংযোগ দেয়ার জন্য সরকারও চিন্তা ভাবনা করছে।

প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই হচ্ছে জানিয়ে সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী আরো বলেন, এসব সূত্র ধরে আমরা ইকোনোমিক জোনের কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি, সাগরিকা থেকে চার লেন সড়ক সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া পর্যন্ত নিয়ে যাবো। টোল রোডের সাথে এই সড়কটি সংযুক্ত থাকবে না। এটা চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোডের দ্বিতীয় পর্যায়ে আমরা এই প্রজেক্ট নিচ্ছি। এই প্রকল্পের জন্য ইতোমধ্যে আমরা ফিজিবিলিটি স্টাডি করছি। সেখানে দু’টি লিংক থাকবে। একটি বাঁশবাড়িয়া থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডের লিংক থাকবে এবং অন্যটি ফৌজদারহাট পর্যন্ত।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, ইকোনোমিক জোনকে কেন্দ্র করে সিডিএ’র বাইরে আমরাও কিছু সড়ক নির্মাণ করছি। মিরসরাইয়ের দারোগারহাটের বামনসুন্দর থেকে ইকোনোমিক জোন পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের কাজ করছি। আপাতত এটাকে দুই লেন নির্মাণ করা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে এই সড়কটি চার লেন করা হবে। ধাপে ধাপে মিরসরাই ‘বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর’ পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের  সড়কটি বেজা কর্তৃপক্ষ করবে।