কোর্টে তোলা হলেও শুনানি হয়নি, কারাগারে পাঠানো হলো শাহাদাতকে

বাংলাদেশ মেইল ::

ডাঃ শাহাদাত হোসেনসহ আটক বিএনপি নেতাকর্মীদের  কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ পাঠানো হয়েছে । মঙ্গলবার তাদের চট্টগ্রামের আদালতে হাজির করানো হলেও মামলার শুনানি হয় নি।

মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনকে মঙ্গলবার  বিকাল ৪ দিকে চট্টগ্রাম আদালতে আনা হয়। কোতোয়ালি থানার ২ টি ও চকবাজার থানার ১ টি মামলায় জামিন ও ডিভিশন চান তার আইনজীবীরা । কিন্তু আদালত শুনানী করেনি। সরকারের  পক্ষ থেকে রিমান্ডও চাওয়া হয়। পরে পিডব্লিউ মতে তাদের হাজতে পাঠিানো হয়েছে । আগামীকাল তাদের আবার কোর্টে আনবে। আগামীকাল আবার শুনানী হতে পারে ।

ডা. শাহাদাত হোসেনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম বদরুল আনোয়ার গণমাধ্যমকে জানান, তিন মামলায় ডা. শাহাদাত হোসেনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এসব মামলায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।  আগামীকাল বুধবার মামলার শুনানির দিন ঠিক করেছেন।

গতকাল রাতে সন্ত্রাস বিরোধী ও বিস্ফোরক, পুলিশ বক্সে হামলা, সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে পুলিশ বাদি হয়ে দুটি মামলা দায়ের করে।

সোমবার গ্রেফতার বিএনপির ১৫ নেতাকর্মীর বিষয়ে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জাহিদুল আলম জানান, কোতোয়ালী পুলিশের দায়ের করা দুটি মামলায় পুলিশ ১৫ নেতাকর্মীকে আজ বিকেলে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।  আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেয় এবং আগামীকাল রিমান্ড শুনানী হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

মামলায় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর, দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, নগর যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচএম রাশেদ খান ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, নগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম ও সদস্যসচিব শরিফুল ইসলাম তুহিনসহ ৫৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গতকাল দুপুরে বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিনত হয় চট্টগ্রামের কাজির দেউড়ী এলাকা। সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়৷