চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের মা ও শিশু হাসপাতাল চালু করবে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা সেবা

রানা আবিরঃঃ

 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শনাক্ত, মৃত্যু এবং শনাক্তের হার। টানা তিন দিন পাঁচ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে ৩ দিনের মধ্যে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা সেবা চালু করবে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) দুপুরে মা ও শিশু হাসপাতাল করোনা ম্যানেজমেন্ট এবং করোনা ট্রিটমেন্ট কমিটির যৌথ সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

হাসপাতালের কার্যনির্বাহি কমিটির ট্রেজারার রেজাউল করিম আজাদ এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে কোন বেড খালি নেই। সব বেড এবং আইসিইউ রোগিতে পরিপূর্ণ। অন্যদিকে, করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে সারাক্ষণ রোগী ভর্তির অনুরোধ আসছে। কিন্তু আমরা অপারগ। চিকিৎসা সেবা দিতে পারছি না। সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে জরুরিভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা সেবা চালু করার। এরজন্য থাকবে চিকিৎসক, নার্স, ব্রাদার। মাইক্রোবাসে গিয়ে সরাসরি চিকিৎসা দিয়ে আসবেন। প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হবে। আগামী দু’থেকে ৩ দিনের মধ্যে এই সার্ভিস চালু হবে। এরজন্য ৪টি ফোন নম্বর দেয়া হবে। সেখানে সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসা টিম পৌঁছে যাবে রোগীর কাছে। অবশ্য এই সেবা চালু করতে কয়েকজন চিকিৎসক নিয়োগ দিতে হবে।

রেজাউল করিম আজাদ জানান, মা ও শিশু হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য আরও ৩০টি শয্যা বৃদ্ধির চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রথমে ১৮ থেকে ২০ টা শয্যা বাড়ানো হবে। পরবর্তীতে আরো ১০টি । সর্বোমোট ৩০ টি শয্যা বাড়ানো হবে।

মা ও শিশু হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে বর্তমানে শয্যা সংখ্যা ৯০। এগুলোর মধ্যে ১৬টি আইসিইউ ( নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট)। অবশিষ্ট ৭৪টির মধ্যে ৪৪টি সাধারণ শয্যা এবং ৩০টি ক্যাবিন।

এদিকে ,দেশের ইতিহাসে করোনা শনাক্তের নতুন রেকর্ড হয়েছে বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল)। ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৪৬৯ জন। মারা গেছেন ৫৯ জন।