ভ্যাক্সিনের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায় কানাডা

বাংলাদেশ মেইল ::

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় অস্থির সময় পার করছে কানাডা। পর্যাপ্ত  ভাক্সিন মজুদ করার চেয়ে মজুদকৃত ভাক্সিনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে কাজ করছে দেশটির সরকার।

ভ্যাকসিন প্রাপ্তিতে পিছিয়ে থাকলেও যতোটা ভ্যাকসিন পাওয়া গেছে সেগুলো যাতে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয় সেজন্য সরকার পক্ষের চেষ্টার অন্ত নেই। সংখ্যার চেয়েও অগ্রাধিকার গুরুত্ব পাচ্ছে ভ্যাকসিন দেয়ার ক্ষেত্রে। ফ্রন্টলাইনারদের পর সাধারন নাগরিকদের সত্তরের বেশি বয়স্করা এখন টিকার তালিকায় থাকলেও কারো ‘ক্রনিক মেডিকেল কন্ডিশন’ থাকলে তারা আগেভাগ ভ্যাকসিন পেয়ে যাচ্ছেন। তাদের বেলায় বয়সের শর্ত কোনো বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে না।
প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও হঠাৎ হঠাৎ ছুটে যাচ্ছেন ভ্যাকসিন ক্লিনিকগুলোয়, খোঁজ খবর করার চেষ্টা করছেন ভ্যাকসিনের দেয়া নেয়া সম্পর্কে। আজ সকালে তিনি গিয়েছিলেন রাজধানী শহর অটোয়ার একটি ভ্যাকসিন ক্লিনিকে। সেখানে তিনি নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেন, ধন্যবাদ জানান স্বাস্থ্যকর্মীদের, মানুষের জন্য তাদের অসাধারন ভূমিকার জন্য।

 

১৪ ডিসেম্বর বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে
কানাডায় ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনার টিকার প্রয়োগ শুরু হয় । টরন্টোর একটি অলাভজনক নার্সিং হোমের এক কর্মী অনিতা কুইডানজেন দেশটিতে টিকা পাওয়া প্রথম কয়েকজনের একজন। তাঁকে টিকা দেওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

তবে সকল নাগরিকের জন্য করোনার টিকা নিশ্চিত করাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে কাজ করছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। টিকার প্রয়োগ শুরুর সময়ই  কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছিলেন ‘এটা একটা বড় স্বস্তি।’

আর এখন তিনি মজুদকৃত টিকার কার্যকর বিতরন নিশ্চিত করার উপর জোর দিচ্ছেন।